শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১৬

গাজীপুরের হচ্ছে ছ’টি উড়াল সড়ক ও ৮ লেনের টঙ্গী সেতু!!

গাজীপুরের হচ্ছে ছ’টি উড়াল সড়ক ও ৮ লেনের টঙ্গী সেতু!!
বদলে যাচ্ছে গাজীপুরের চিত্র : হচ্ছে ছ’টি উড়াল সড়ক ও ৮ লেনের টঙ্গী সেতু।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট) আওতায় ছটি উড়াল সড়ক, ৮ লেনের টঙ্গী সেতুসহ ২০ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ২০ হাজার ৩৯ কোটি টাকা। প্রকল্প শেষ হলে প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর এলাকায় যাতায়াত করতে পারবে।’
সোমবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর বিআরটি বাস ডিপো নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন এ সড়কে দুটি বাস একসাথে যুক্ত করে আর্টিকুলেট বাস চলছে, প্রকল্প শেষ হলে এ সড়কে তিনটি বাস একসাথে যুক্ত করে চলাচল করবে। তখন প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট যাতায়াত করতে পারবে।’

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ছাড়াও এ প্রকল্পে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক, ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটি অর্থায়ন করছে।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো জানান, এ প্রকল্পে ১৬ কিলোমিটার সমতলের বিআরটি লেন, সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড বিআরটি লেন, ৫৬ কিলোমিটার পৌর অবকাঠামো নির্মাণ ও বিআরটি বাস ডিপো নির্মাণ করা হবে। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে।

এ সময় সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইকরাম হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ - independentnews24.com

বৃহস্পতিবার, ৯ জুন, ২০১৬

গাজীপুরের কাঁঠাল যাচ্ছে বিশ্বের ১৫টি দেশে!!

গাজীপুরের কাঁঠাল যাচ্ছে বিশ্বের ১৫টি দেশে
গাজীপুরের গ্রামগুলো এখন কাঁঠালে সয়লাব। যেদিকে চোখ যায় শুধু কাঁঠাল আর কাঁঠাল। বাড়ির উঠোন, ঘরের বারান্দা সবখানেই একই দৃশ্য। হাট-বাজারে বিক্রিও হচ্ছে দেদার। শুধু তাই-ই নয়, এ কাঁঠাল চলে যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যসহ ১৫টি দেশে। বাণিজ্যিকভাবে রপ্তানি হচ্ছে গাজীপুরের কাঁঠাল।
খোঁজ নিতে গিয়ে জানা গেছে, দেশে কাঁঠালের রাজধানীখ্যাত গাজীপুরের কাপাসিয়া ও শ্রীপুরে এবারও বাম্পার ফলন হয়েছে। সহজ যোগাযোগ ব্যবস্থার ফলে রাজধানী ঢাকা ও দেশের অন্যান্য এলাকা থেকে ব্যবসায়ীরা প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে চাষিদের কাছ থেকে গাছ বা বাগান থেকে কাঁঠাল কিনছেন। তবে অভিযোগ পাওয়া গেছে, মধ্যস্বত্বভোগী বেপারি ও আড়তদারদের দৌরাত্ম্যে চাষিরা বরাবরের মতো এবারও ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।

বিদেশে কাঁঠাল রপ্তানি সম্পর্কে গড়গড়িয়া মাস্টারবাড়ি বাজারের আড়তদার নিজাম উদ্দিন জানান, শ্রীপুরের কাঁঠাল পৃথিবীর বহু দেশে রপ্তানি হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যসহ ১৫টি দেশে যাচ্ছে নিয়মিত। তবে তার অভিযোগ, শ্রীপুরে কাঁঠাল সংরক্ষণের জন্য কোনো হিমাগার গড়ে ওঠেনি। স্রেফ সংরক্ষণের অভাবে প্রতি মৌসুমে লাখ লাখ টাকার কাঁঠাল নষ্ট হয়। ডুমবাড়ী চালার গৃহস্থ চাষি আলী আকবর বলেন, ‘কিষি অফিচারকে কত্ত কইছি। কোন কাম অয় নাই। এইহানে একখান হেমাগার খুব দরকার।’ একইভাবে হিমাগারের জন্য এমন আকুতি জানান বহু চাষি ও ব্যবসায়ী। কাপাসিয়ার ঘাগটিয়া ইউনিয়নের একটি গ্রাম খিরাটী। এ গ্রামে সবচেয়ে বেশি কাঁঠাল উত্পাদিত হয়। মৌসুম শুরু হলে ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাসহ বিভিন্ন দেশের কাঁঠাল প্রেমী ও ব্যবসায়ীরা ছুটে আসেন এ গ্রামে। তাদের মাধ্যমে প্রতিদিন ট্রাক, পিকআপ ভরে বিমানবন্দর হয়ে বিভিন্ন দেশে চলে যায় কাঁঠাল। দেইলগাঁও এলাকার সহিদুল জানান, এ মৌসুমে তিনি ৭০ হাজার টাকার কাঁঠাল বিক্রি করেছেন। গত বছর কাঁঠাল পচে যাওয়ায় বিক্রি করতে পেরেছিলেন মাত্র ১৪ হাজার টাকার। এবার কাঁঠালের ফলনও বেশি হয়েছে। আবহাওয়াও অনুকূলে। আরেক কৃষক আরমান জানান, গত বছরের চেয়ে এ বছর কাঁঠাল বিক্রি থেকে আয় হয়েছে বেশি। তাই এবার কাঁঠাল বিক্রির টাকায় ধূমধাম করে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দেবেন। স্থানীয় সূত্রগুলো জানায়, প্রতি মৌসুমে শ্রীপুরের জৈনা এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ চারলেন মহাসড়কের দুপাশে প্রায় ৩ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে কাঁঠালের হাট বসে। এ ছাড়া কাপাসিয়ার ১১ ইউনিয়নের গ্রামে গ্রামে প্রতিদিনই কাঁঠালের হাট বসছে। কাঁঠালকে ঘিরে কাপাসিয়া ও শ্রীপুরের বিভিন্ন স্থানে অন্তত তিন শতাধিক হাট পরিচালিত হচ্ছে।  কৃষি বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঁঠাল চাষের জন্য যে মাটি ও আবহাওয়া প্রয়োজন তার সবই কাপাসিয়া ও শ্রীপুরের সব ইউনিয়নে বিদ্যমান। ফলে চাষিরা কাঁঠালকে বেশি গুরুত্ব দিয়ে উঁচু জমিতে প্রতি বছরই নতুন নতুন বাগান সৃষ্টি করছেন। এ এলাকা বন্যামুক্ত হওয়ায় কাঁঠাল চাষ করা সহজ হয়। প্রতি বছর বৈশাখ মাসে উপজেলার কৃষকরা ইরি-বোরো ধানকাটা আরম্ভ করেন। ধান কাটা শেষ না হতেই কাঁঠাল বিক্রির মৌসুম শুরু হয়। কাপাসিয়ার প্রতি ঘরে ঘরে তখন আনন্দের বন্যা বইতে থাকে।

স্থানীয়রা জানান, কাপাসিয়া উপজেলার ১১টি ইউনিয়নের ৩২টি হাট-বাজারে মৌসুমি ফল বিক্রির জন্য আলাদা কোনো বাজার বা স্থান না থাকায় কৃষকদের সমস্যা হচ্ছে। হয়রানিরও শিকার হতে হয়। খোদ কাপাসিয়া সদর বাজারে বসে উপজেলার সবচেয়ে বড় বাজার। অথচ এখানে আলাদা কোনো ব্যবস্থা নেই। বাজারের এ সমস্যার ফলে কৃষকরা তাদের উত্পাদিত কাঁঠাল বাজারে নিয়ে বিক্রি করতে পারছেন না। ফলে প্রকৃত মূল্য থেকে তারা বঞ্চিত হচ্ছেন।
ফড়িয়ারা বাজার মূল্যের চেয়ে কমমূল্য দিচ্ছে। কৃষকরাও বাধ্য হচ্ছেন অপেক্ষাকৃত কমমূল্যে বিক্রি করতে। কাঁঠাল চাষিরা এ প্রতিবেদককে জানান, উপজেলার অন্যতম অর্থকরি ফসল এই কাঁঠাল। অথচ কাঁঠাল চাষের ব্যাপারে নেই কোনো সরকারি উদ্যোগ। নেই কোনো ব্যাংক ঋণের ব্যবস্থা। সরকারিভাবে যদি কাঁঠাল চাষ বৃদ্ধির ওপর প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা থাকত, তাহলে আরও বেশি ফলন পাওয়া যেত।
লিখেছেন - শেখ সফিউদ্দিন জিন্নাহ্
নিউজ - Bd-pratidin.com

রবিবার, ৫ জুন, ২০১৬

আসুন জেনে নেই 'বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার' মূল দায়িত্বে কারা!!

১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ।
২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক।
৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস।
৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়।
৫. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ।
৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়।
৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত।
৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল।
১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র।
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ।
১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ।
১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার।
১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ।
১৫. শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক।
১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস।
১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার।

আইন বিভাগ-
১. প্রলয় কুমার এআইজি , প্লানিং অ্যান্ড রিসার্স
২. বিনয় কৃঞ্চ বালা (সিআইডি) ডিআইজি ঢাকা
৩. বিপ্লব কুমার , কমিশনার গাজীপুর
৪. নিবাস মাঝি , সিলেট ডিএমপি পুলিশ কমিশনার
৫. সত্যকি কবিরাজ এ সি, ডিএমপি
৬. বিজয় বসাক ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
৭. শ্যামল কুমার পুলিশ সুপার বরগুনা
৮. শ্যামল কুমার মুখার্জী এ এস পি , ঢাকা
৯. দেবদাস ভট্টাচার্য দিনাজপুরের পুলিশ সুপার
১০. পংকজ কুমার দে ,RAB-9 এ এস পি
১১. কৃঞ্চপদ রায় ডিবি কমিশনার , ঢাকা
১২. মিলি বিশ্বাস ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার
১৩. সন্জয় কুমার কুন্ডু , এ সি , কুড়িগ্রাম
১৪. টুটুল চক্রবর্তী কুমিল্লা জেলার এস পি
১৫. শ্যামল কুমার নাথ বরগুনার পুলিশ সুপার
১৬. দেবদাস ভট্টাচার্য দিনাজপুরের পুলিশ সুপার
১৭. উত্তম প্রসাদ সোনারগাঁও থানা সার্কেল এ এস পি
১৮. শৈবাল কান্তি চৌধুরী কমিশনার বরিশাল
১৯. তাপস রঞ্জন ঘোষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এ এস পি
২০. রঞ্জন সামন্ত মাগুরার সহকারি পুলিশ সুপার
২১. জয়দেব কুমার ঘোষ এসপি , হবিগন্জ
২২. প্রদীপ কুমার পাঁচলাইশ থানার ওসি
২৩. স্বপন কান্তি বড়ুয়া ওসি কুলাউড়া GRP থানা
২৪. অশিত কুমার ঘোষ ওসি মতিহার থানা
২৫. সুকুমার বিশ্বাস ওসি খুলনা সদর থানা
২৬. তপন চন্দ্র সাহা ওয়ারী থানার ওসি
২৭. অবণী শঙ্কর কর যাত্রাবাড়ি থানার ওসি (তদন্ত)
২৮. এস আই প্রদীপ কুমার যাত্রাবাড়ী থানা
২৯. এস আই নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ,ডিবি)
৩০. গনেশ গোপাল বিশ্বাস শেরে বাংলানগর থানার ওসি
৩১. নরেশ কর্মকার ওসি বাউফল থানা
৩২. অরূপ তরফদার সোনারগাঁও থানার ওসি (তদন্ত)
৩৩. নিহার রন্জন কমলগঞ্জ থানার ওসি
৩৪. সুকুমার বিশ্বাস খুলনা সদর থানার ওসি
৩৫. এস আই নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ডিবি
৩৬. এস আই সজল কুমার কানু মুরাদনগর থানা
৩৭. এস আই অরূপ কুমার যাত্রাবাড়ি থানা
৩৮. এ এস আই বিকাশ কুমার ঘোষ সবুজবাগ থানা
৩৯. এস আই (তদন্ত) কৃপা সিন্ধু ভাটারা থানা
৪০. এ এস আই প্রকাশ চন্দ্র বেনাপোল পোর্ট থানা
৪১. এ এসআই অসীম কুমার চন্দ্র মহেশপুর থানা
৪২. এ এসআই বিকাশ কুমার ঘোষ সবুজবাগ থানা
৪৩. সোনারগাঁও থানার এসআই পল্টু ঘোষ
৪৪. সুদর্শন কুমার রায় ওসি সিলেট দক্ষিণ সুরমা থানা

এখন ভাবুন আপনি কি বলবেন?
উনারা কি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সুষ্ঠু করে গড়ার কারিগর না "বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মূল কারিগর"

--এই নাম গুলো বিভিন্ন ঘটনায় পত্র-পত্রিকায় উঠে এসেছে , বাকীরা আঁচলের নীচে ! হয়ত খোঁজলে পাওয়া যাবে। এখন হয়ত উত্তর পেয়েছেন কেন শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামকে ছোট করে হিন্দু ধর্মকে বড় বানানো হইছে এবং আ'লেম, মুফতি ও হুজুর-দাঁড়িওয়ালা দেখলে পুলিশ কেন এতো হিংস্র হয়।

মূল পোষ্ট - Soharab Hossain

বুধবার, ২৫ মে, ২০১৬

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল
v ঢাকা —             ১৭৭২ সাল।
v মুন্সীগঞ্জ —          ১৯৮৪ সাল।
v নরসিংদী –         ১৯৮৪ সাল।
v নারায়ণগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v মানিকগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v ময়মনসিংহ —       ১৭৮৭ সাল।
v গাজীপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v কিশোরগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v জামালপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v শেরপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v নেত্রকোণা —        ১৯৮৪ সাল।
v টাঙ্গাইল —          ১৯৬৯ সাল।
v ফরিদপুর —         ১৮১৫ সাল।
v গোপালগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v শরীয়তপুর –        ১৯৮৪ সাল।
v মাদারীপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v রাজবাড়ি —         ১৯৮৪ সাল।
v চট্টগ্রাম —           ১৬৬৬ সাল।
v কক্সবাজার –        ১৯৮৪ সাল।
v বান্দরবন —         ১৯৮১ সাল।
v রাঙামাটি –          ১৮৬০ সাল।
v রাঙামাটি—           ১৮৬০ সাল।
v খাগড়াছড়ি —        ১৯৮৪ সাল।
v ফেনী –              ১৯৮৪ সাল।
v ব্রাহ্মণবাড়িয়া –       ১৯৮৪ সাল।
v চাঁদপুর —           ১৯৮৪ সাল।
v রাজশাহী –          ১৭৭২ সাল।
v নাটোর –            ১৯৮৪ সাল।
v নওগাঁ –             ১৯৮৪ সাল।
v নওয়াবগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v বগুড়া —            ১৮২১ সাল।
v পাবনা —            ১৮৩২ সাল।
v সিরাজগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v জয়পুরহাট —        ১৯৮৪ সাল।
v রংপুর —            ১৮৭৭ সাল।
v লালমনিরহাট –      ১৯৮৪ সাল।
v কুড়িগ্রাম –           ১৯৮৪ সাল।
v নীলফামারী –        ১৯৮৪ সাল।
v গাইবান্ধা—           ১৯৮৪ সাল।
v পঞ্চগড় —           ১৯৮০ সাল।
v দিনাজপুর—         ১৭৮৬ সাল।
v খুলনা —            ১৮৮২ সাল।
v ঠাকুরগাঁও —        ১৯৮৪ সাল।
v সাতক্ষীরা —         ১৯৮৪ সাল।
v বাগেরহাট —        ১৯৮৪ সাল।
v যশোর —            ১৭৮১ সাল।
v ঝিনাইদহ —         ১৯৮৪ সাল।
v নড়াইল—            ১৯৮৪ সাল।
v মাগুরা —            ১৯৮৪ সাল।
v কুষ্টিয়া—             ১৮৬৩ সাল।
v চুয়াডাঙ্গা —          ১৯৮৪ সাল।
v মেহেরপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v বরিশাল –           ১৭৯৭ সাল।
v ঝালকাঠি —         ১৯৮৪ সাল।
v পিরোজপুর –        ১৯৮৪ সাল।
v পটুয়াখালী –         ১৯৮৪ সাল।
v বরগুনা —           ১৯৮৪ সাল।
v ভোলা —            ১৯৮০ সাল।
v সিলেট —            ১৭৭৫ সাল।
v হবিগঞ্জ —           ১৯৮৪ সাল।
v মৌলভীবাজার –      ১৯৮৪ সাল।
v নোয়াখালী –         ১৮২১ সাল।
v লক্ষীপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v কুমিল্লা —           ১৭৯০ সাল।
vচাঁদপুর —           ১৯৮৪ সাল।

রবিবার, ২২ মে, ২০১৬

মৃতপ্রায় বংশী নদী রক্ষায় উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি

মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রয়োজনেই শত শত বছরের সাক্ষী এবং দেশের মধ্যাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এ বংশী নদীকে বাঁচিয়ে রাখা অনস্বীকার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফারাক্কা বাঁধের আগে বংশী নদীতে চৈত্র-বৈশাখ মাসেও জলের প্রবাহ ছিল, এখন আষাঢ়-শ্রাবণেও জলের প্রবাহ কম থাকে। আর চৈত্র-বৈশাখে নদীর মাঝখানেও ধু-ধু বালুকণা ভেসে ওঠে।
জুলহাস উদ্দীন >>>
দেশের মধ্যাঞ্চলে প্রবাহিত বংশী একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। এর উৎপত্তিস্থল জামালপুরের পুরনো ব্রহ্মপুত্র নদ এবং ঢাকার সাভারে ধলেশ্বরী নদীর সঙ্গে মিলিত হতে নদীটি দীর্ঘ ২৩৮ কিলোমিটার জনপথ অতিক্রম করেছে। বংশী মধ্য বাংলাদেশের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। এ নদী তার চলার পথে চারটি জেলা যথাক্রমে জামালপুর, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা এবং ১০টি উপজেলা যথাক্রমে জামালপুর সদর, মধুপুর, ঘাটাইল, কালীহাতি, বাসাইল, মির্জাপুর, সখিপুর, কালিয়াকৈর, ধামরাই, সাভার এবং ৩২১টি মৌজার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। এ নদীকে কেন্দ্র করে অনেক হাট-বাজার, গঞ্জ, স্থাপনা গড়ে উঠেছে। বিশেষ করে সাভার স্মৃতিসৌধ, ঐতিহ্যবাহী মসলিন কাপড় তৈরির ধামরাই এলাকা, মধুপুর গড়াঞ্চল ইত্যাদি। এখনো বর্ষা মৌসুমে ছোট ও মাঝারি নৌকায় মধুপুরসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে নৌপথে কলা, কাঁঠাল, আনারস ও নানা ধরনের তরকারি ভূঞাপুর, সরিষাবাড়ী, সিরাজগঞ্জসহ বিভিন্ন এলাকায় এ নদী দিয়ে পরিবাহিত হয়ে থাকে। মধুপুর গড়াঞ্চলসহ মধ্যাঞ্চলের সভ্যতা ও জীববৈচিত্র্য টিকে রয়েছে বংশী নদীকে কেন্দ্র করেই। মানবসভ্যতার অগ্রযাত্রার প্রয়োজনেই শত শত বছরের সাক্ষী এবং দেশের মধ্যাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ এ বংশী নদীকে বাঁচিয়ে রাখা অনস্বীকার্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ফারাক্কা বাঁধের আগে বংশী নদীতে চৈত্র-বৈশাখ মাসেও জলের প্রবাহ ছিল, এখন আষাঢ়-শ্রাবণেও জলের প্রবাহ কম থাকে। আর চৈত্র-বৈশাখে নদীর মাঝখানেও ধু-ধু বালুকণা ভেসে ওঠে। ফারাক্কা বাঁধের আগে বংশীতে যখন সারা বছর জলের প্রবাহ ছিল তখন এখানে সরপুঁটিসহ বিভিন্ন প্রজাতির সুস্বাদু পুঁটি, কালবাউস, পাঙ্গাশ, বিভিন্ন প্রজাতির ছোট-বড় টেংরা, রুই, কাতলা, মৃগেল, চিংড়ি, বাইন, চিতল, বোয়াল, শোল, টাকি, মলা, ঢেলা, চেলাসহ অসংখ্য প্রজাতির মাছ পাওয়া যেত। এ ছাড়া শুশুকসহ শত প্রজাতির উপকারী জলজ প্রাণী নদীতে দেখা যেত। কিন্তু মাত্র চার দশকে এসব মাছ এবং পরিবেশবান্ধব জলজ প্রাণী বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়েছে এবং বহু প্রজাতির সুস্বাদু মাছ ও জলজ প্রাণী বিলুপ্ত হয়ে গেছে; ফলে বংশীর তীরে বসবাসরত প্রান্তিক জেলে সম্প্রদায়ের অনেকে পেশা পরিবর্তন করে রিকশা চালায়, কেউ বা কৃষি কাজ করে জীবন যাপন করে।
 
অথচ চার দশক আগেও বংশী পারের মানুষের জীবনযাত্রা এ রূপ ছিল না। উজানে ফারাক্কা ও তিস্তা নদীতে ভারত বাঁধ দেয়ায় এখন বংশীকে বাঁচানো এক প্রকার চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ চ্যালেঞ্জ গ্রহণে ষাটের দশকে বিআইডবিস্নউটিএকে ঊঅঝঞ চঅকওঝঞঅঘ ডঅঞঊজ ্ চঙডঊজ উঊঠঊখঙচগঊঘঞ অটঞঐঙজওঞণ (ঊচডঅচউঅ)-এর স্মারক নাম্বার ৭৮৬ (৩) ডউ (ড-১ঠ), উধঃবফ ১৭.১১.১৯৬২-এর মাধ্যমে দায়িত্ব অর্পণ করা হয়। কিন্তু বিআইডবিস্নউটিএ এতদিন বংশী নদী রক্ষায় তেমন কোনো কার্যক্রম গ্রহণ করেনি এবং বংশী নদী রক্ষার দায়িত্ব বিআইডবিস্নউটিএর_ এ কথাও অনেকেরই অজানা ছিল। তবে সুখের বিষয় বর্তমানে বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার সরকার বংশী নদী রক্ষার জন্য সীমিত আকারে হলেও কার্যক্রম গ্রহণ করছে। কিন্তু অতি দ্রুত এর ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা জরুরি নতুবা বংশীর অস্তিত্বই একসময় বিলীন হয়ে যাবে। এ জন্য বংশী নদী রক্ষায় নিম্নবর্ণিত কর্মপন্থা গ্রহণ করা যেতে পারে_
১। বংশী নদীর অবৈধ দখলদার ও স্থাপনা চিহ্নিত করে এদের বিরুদ্ধে উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনাসহ ও অন্যান্য কার্যক্রম গ্রহণ,
২। ২৩৮ কিলোমিটর দীর্ঘ নদীটির সম্পূর্ণ জরিপ কাজ পরিচালনা করে সীমানা নির্ধারণ এবং সীমানা পিলার স্থাপন,
৩। নদীটি পুরনো ব্রহ্মপুত্র থেকে উৎপন্ন হয়েছে, কাজেই এর জলের প্রবাহ বৃদ্ধির জন্য ভারতের সঙ্গে গঙ্গা নদীর ন্যায় তিস্তা নদীর পানি বণ্টন চুক্তির বিষয়ে দ্রুত কার্যক্রম গ্রহণ,
৪। বংশীর উৎসস্থলে ড্রেজিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ,
৫। বংশী সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণে নদী ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম গ্রহণ ও গবেষণা সেল গঠন করা যেতে পারে; যেখানে নদী গবেষক, সাংবাদিক, পরিবেশ ও জীব বিজ্ঞানী, আইনজীবীদের নিয়োজিত করা যেতে পারে।
৬। এই নদীকে যদি পরিবেশ দূষণ ও দখলদারমুক্ত করা সম্ভব হয় তবে নদীতীরবর্তী স্থানগুলো ইজারার মাধ্যমে সরকার হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব পেতে পারে যা দেশ ও জনগণের উন্নয়নে ব্যয় হতে পারে।
৭। যেহেতু এটি দেশের মধ্যাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী কাজেই মধুপুর গড়াঞ্চলের পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি দেশের পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় একে দখলদার ও পরিবেশ বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা করা অতি জরুরি হয়ে পড়েছে।

জুলহাস উদ্দীন: কলাম লেখক ও সাহিত্যিক
 তথ্যসূত্রঃ যায়যায়দিন 

শুক্রবার, ২০ মে, ২০১৬

বংশী নদীর ইতিহাস | গাজীপুর

বংশী নদী বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। এই নদীর মোট দৈর্ঘ্য ১৮৪ কিলোমিটার। উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে একীভূত হওয়ার ফলে এই নদী কার্যত পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখানদীতে পরিণত হয়েছে। উজানের দিকে এটি কেবল বর্ষাকালে নাব্য থাকে। তবে ঢাকা ও গাজীপুর অংশে নদীটি সারা বছরই নাব্য।
গাজীপুর জেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে প্রবাহিত বংশী নদী। এ নদীর তীরে অবস্থিত কালিয়াকৈর বাজার ও বন্দর। বংশী নদী যমুনা থেকে উদ্ভুত হয়ে ময়মনসিংহ জেলার পাশ দিয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গাজীপুর জেলার পশ্চিম সীমানায় প্রবেশ করে ।
সেখান থেকে কালিয়াকৈরের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাজারের নিকট পশ্চিম দিকে বাঁক নিয়ে ঢাকা জেলার ধলেশ্বরী নদীতে মিশে যায় ।
গারগারা এই নদী মধুপুর জঙ্গলের টিলা শ্রেণির ‘দেওয়া’ নামক স্থান থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে দক্ষিণে ও পরে দক্ষিন-পুর্বে এসে বিশাল বিল লবলং-এ এসে পতিত হয় । আবার মাওনার নিকট লবলং থেকে বেরিয়ে পুনরায় ইন্দ্রাকপুরের নিকট লবলং-এ এসে পতিত হয় । শীতকালে নদীটি প্রায় শুকিয়ে যায় । তবে বর্ষাকালে এর আঁকাবাঁকা স্রোতধারা গাজীপুরের শাল অরণ্যের ভিতরে অপরূপ দৃশ্যের জন্ম দেয়।

বংশী নদীর মোট দৈর্ঘ্য ২৩৮ কিলোমিটার। এই নদী চারটি জেলা যথাক্রমে জামালপুর, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা এবং ১০টি উপজেলা যথাক্রমে জামালপুর সদর, মধুপুর, ঘাটাইল, কালিহাতি, বাসাইল, মির্জাপুর, সখিপুর, কালিয়াকৈর, ধামরাই, সাভার এবং ৩২১টি মৌজার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তুরাগ বংশী নদীর শাখা তুরাগ নদী । তুরাগ সর্পিলভাবে কালিয়াকৈর বাজারের নিকট বংশী-ঘাটাখালি মোহনা থেকে উদ্ভুত হয়ে প্রথমে কিছুটা পুর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ঠেঙ্গেরবান্দ, কড্ডা ও টঙ্গী পৌঁছে দুটো শাখায় বিভক্ত হয় । একটি শাখা ঢাকার মিরপুরের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে মিলিত হয় । অন্যটি টঙ্গী খাল হিসেবে উত্তরে এসে পুনরায় তুরাগ নদীর সঙ্গে মিলিত হয় । এর দক্ষিণ শাখা তুরাগ নামে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ।

এখানে দিক পরিবর্তন করে কহরদিয়া নামে প্রায় দুই কিলোমিটার পুর্ব দিকে প্রবাহিত হয় । পরে তা বালু নামে পুর্বমুখী হয়ে উলুখোলা ও ডেমরার পাশ দিয়ে শীতলক্ষ্যায় গিয়ে পড়ে । ঠেঙ্গেরবান্দের নিকট শালদহ নদী তুরাগের সঙ্গে মিলিত হয় ।

জানা যায়, ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকার নবাবদের ‘তুরাগ’ নামক বজরায় বুড়িগঙ্গায় অবস্থান করেন । গোয়ালী গোয়ালী নদী ফুল্বাড়িয়ার উত্তরে বাজাইল শাহাড়ীরচালা থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে ছোট খাল হিসেবে ফুলঝুড়ি নদী নামে ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত প্রবাহিত হয় ।

সেখান থকে এই খালের ধারা ক্রমশ বড় হয়ে গোয়ালী নামে দক্ষিণে পাগলনাথ, রাওয়াল বিল, গাছবাড়ি বিল, শালদহ বিল, বেড়াচালা বিল ও শ্রীপুর বিলের ভিতর দিয়ে অগ্রসর হয়ে রঘুনাথপুরের দক্ষিণে তুরাগ নদীর সঙ্গে মিলিত হয়।

তথ্য সংগ্রহঃ উইকিপিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি মিউজিয়াম থাকা আবশ্যক!!

গাজীপুর ডিসি অফিসের পাশে গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি "মিউজিয়াম" থাকা আবশ্যক। সেই সাথে সরকারী- বেসরকারি বিনিয়োগে গাজীপুরের প্রত্নস্থানগুলি সংস্কার ও সংরক্ষণ করে পিকনিক স্পট, শিক্ষা ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

প্রত্নস্থানগুলি হলো... 

  • ভাওয়াল রাজবাড়ীর কিছু অংশ- (এটি আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • শ্রীপুর, মাওনার নিকট ইন্দ্রাকপুর (প্রাচীন রাজধানী)- এটা প্রায় ১১শত বছরের পুরনো।
  • বলধার জমিদার বাড়ী, বাড়ীয়া- (এটা আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • টোক শাহী মসজিদ, কাপাসিয়া- (এটা প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো)।
  • পূবাইল জমিদার বাড়ী, পূবাইল- এগুলো অনু:২৫০ বছরের পুরনো)।
  • সেন্ট নিকোলাস চার্চ, কালীগঞ্জ- (অনু: তিনশত বছরের পুরনো)।
  • বলিয়াদী জমিদার বাড়ী -(আড়াইশত বছর)।
  • ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী- (আড়াইশত বছর),জয়দেবপুর।
  • শৈলাট, শ্রীপুর- (১১ শত বছরের পুরনো)।
  • কাশিমপুর জমিদার বাড়ী, গাজীপুর সদর-(আড়াইশত বছর)।
  • দত্তপাড়া জমিদার বাড়ী, টঙ্গী- (আড়াইশত বছর)।
  • কপালেশ্বর (ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরাকীর্তি)-১১শত বছরের পুরনো।
  • রাজা শিশু পালের রাজধানী একডালা দুর্গ, কাপাসিয়া-(১২শত বছরের পুরনো)।
  • মীর জুমলার সেতু, টঙ্গী- (সারে তিনশত বছরের পুরনো)।
  • সাকাশ্বর স্তম্ভ, কালিয়াকৈর- এটা আড়াই হাজার বছরের পুরনো, সম্রাট আশোকের আমলে নির্মিত


এছাড়া কাপাসিয়াতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছররের পুরনো স্থাপনা উদ্ধার করে পর্যটনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এসব পুরাকীর্তির পাশেই আছে ঐতিহাসিক দীঘি। এগুলো সংস্কার করে অতীতকে উদ্ধার করা হোক এবং গাজীপুর জেলাকে পর্যটন জেলায় রূপান্তরিত করা হোক।

তথ্য সংগ্রহঃ জাকির হোসাঈন

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০১৬

আমাদের গাজীপুর


  •  বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ যিনি গাজীপুর এর সন্তান।
  •  মুক্তিযোদ্ধ প্রথম শুরু হয় আমাদের গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ১৯ই মার্চ বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজামেল হক এর নেতৃত্বে।
  • গাজীপুরের সিটি কর্পোরেশন সর্ববৃহতৎ সিটি কর্পোরেশন।
  • মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দ্বিতীয় জামায়েত ইজতেমা আমাদের গাজীপুরেই। বাংলাদেশের প্রথম এটর্ণী জেনারেল আমাদের গাজীপুরের।
  •  নৌ বাহিনীর প্রধান এবং বিমান বাহিনীর প্রধান ( সাবেক) তাও আমাদের গাজীপুরের।
  •  গাজীপুর থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, যেটি আয়তনের দিক থেকে সর্ববৃহতৎ।
  • এছাড়াও আছে এশিয়া মহাদেশের মধ্য সর্ববৃহৎ বংঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক যা আমাদের গাজীপুরেই।
  • জনপ্রিয় লেখক নাট্যকার কথা সাহিতি্যক হুমায়ন আহমদ এর নুহাস পল্লী আমাদের গাজীপুরেই অবস্থিত।
  • তাছাড়া নাট্য অভিনেতা তৌকির আহমেদ এবং বিপাসা হায়াৎ এর নক্ষত্র বাড়ি যা ভিলাস বহুল ডাকবাংলো। তাছাড়া অসংখ্য সুটিং স্পটতো আসেই। একমাত্র গাজীপুরেই আছে ৫টি সরকারি পুর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় হল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সবচেয় ভাল বিশ্ববিদ্যালয় হলো ডুয়েট আর বিদেশীদের জন্য আছে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, তাছাড়া আছে ওপেন ইউনিভার্সিটি, বঙ্গবন্ধু কৃষি  বিশ্ববিদ্যালয়। তাছাড়া প্রাইভেট ভার্সিটিতো আছেই।
  • যেই অস্ত্র দিয়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি সেই অস্ত্রের কারখানা আমাদের গাজীপুর। টাকায় কিনা হয়! টাকা দিয়ে নাকি বাঘের চোখও পাওয়া যায় আর সেই টাকার কারখানা আমাদের গাজীপুর।
  •  কৃষি আমাদের অর্থনৈতিক চাকা। জনসংখ্যা বাড়ছে কিন্তু আমাদের খাবারের ঘাড়তি নেই কারন কৃষি গবেষণার ইন্সটিটিউট এবং ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট বামপার ফলন গবেষণায় নিয়জিত যা গাজীপুর অবস্থিত।
  • বাংলাদেশের তুলা গবেষণা ইন্সটিটিউট গাজীপুরেই।
  • আনছার একাডেমি তাও গাজীপুরে অবস্থিত।
  • কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল সেই কাঁঠাল এর সমাহার আমাদের গাজীপুর। পোশাকশিল্প আমাদের অহংকার। বাংলাদেশের বেশির ভাগ পোশাক কারখানা আমাদের গাজীপুরে অবস্থিত।
  •  বাংলাদেশে একমাত্র কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র এবং বৃদ্ধাশ্রম গাজীপুরেই।
  • গাজীপুরেই কাশিমপুর কারাগার অবস্থিত।
  •  গাজীপুরে ভাওয়াল রাজবাড়ী যেটি এখন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।
  • অসংখ্য নদীর সমাহারে মোখরিত আমাদের গাজীপুর, যা আমাদের গাজীপুর কে পর্যটন নগরী হিসেবে ভূষিত করেছে।
  • উল্লেখ যোগ্য নদীগুলো- ব্রক্ষ্মপুত্র, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ।
  • গাজীপুর জেলা নিরক্ষর মুক্ত, সাক্ষরতা হার ১০০% গাজীপুর সুস্বাদু খাবারের জন্য বিক্ষত।
  • রাজাবাড়ির রসমালাই, সুরমার ঘি, মুরগ পুলাও। শ্রীপুরের কাবাব, কাপাসিয়ার চমচম। টোকের নিরিবিলিতে ৭০ প্রকার ভর্তা ও ৪০ প্রকারের তরকারি পাওয়া যায়, মালাই, এবং ২০-২৫ পদ দিয়ে পান যা মাত্র ৫ টাকা। ঐতিহ্যবাহী সিংগুয়া বাজারের এর সিংগারা যা খেতে খুব সুস্বাদু এবং সস্তা এই যুগেও ১.৫০ টাকা পার পিছ। এছাড়াও তেতুল চা তো আছে প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে বহু মানুষ সিংগারা খেতে আসে!! কি নাই আমাদের গাজীপুরে ! 
  • লেখক@-- মাহফুজ আহমেদ সোহেল মোবাঃ ০১৭২০২২২২১০ 
  • সার্বিক সহযোগিতায়@-- আনিসুজ্জামান সজীব মোবাঃ ০১৯২০৩০৫৬৯৬ হাবিব সবুজ মোবাঃ ০১৯৩৩৭৯৮০৯৬ এবং মাকসুদ সৌরভ মোবাঃ ০১৭৩৬২৯৯১২০



শনিবার, ১৪ মে, ২০১৬

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর | বাংলাদেশ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর


বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্কের ইতিহাস
ভাওয়াল গড়ের ছোট ছোট টিলা (চালা) ও নীচু ভূমি (বাইদ) সমৃদ্ধ শালবনে দেখা যেত আমলকি, বহেড়া, হরিতকী, করই, শিমূল, হলদু, পলাশ, চাপালিশ, কুসুম, পিতরাজ, উদাল এবং বিবিধ লতাগুল্মরাজি। এ বনে দেখা যেত মায়া হরিণ, চিতাবাঘ, বন বিড়াল, গন্ধগকুল, শিয়াল, সজারু, অজগর, বানর, হনুমানসহ অসংখ্য প্রজাতির পাখি। শালবনে প্রায় ৬৩ প্রজাতির গাছপালা ও ২২০ প্রজাতির বন্যপ্রাণী দেখা যেত। জনসংখ্যা বৃদ্ধি, নগরায়ন, শিল্পায়ন, বন ধ্বংস করে কৃষি জমির বিস্তার, আবাসন, জবরদখল ও ভূমি বিরোধের কারনে শাল বনের অস্তিত্ব দ্রুত হারিয়ে যাচ্ছে। বন্যপ্রাণী প্রাকৃতিক পরিবেশ, খাদ্যচক্র ও জীববৈচিত্র্যের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানুষের অস্তিত্বের জন্য বন্যপ্রাণীর ভূমিকা অপরিসীম। জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, ইকোট্যুরিজমের উন্নয়ন, পর্যটন শিল্পের বিকাশ, শিক্ষা, গবেষণা ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ সৃষ্টির লক্ষ্যে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ভাওয়ালগড় এলাকায় ‘‘সাফারী পার্ক’’ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ গ্রহন করা হয়।

 গাজীপুর জেলার শ্রীপুর উপজেলাধীন মাওনা ইউনিয়নের বড় রাথুরা মৌজা ও সদর উপজেলার পীরুজালী ইউনিয়নের পীরুজালী মৌজার খন্ড খন্ড শাল বনের ৪৯০৯.০ একর বন ভূমি ছোট বড় বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণির জন্য নিরাপদ আবাসস্থল হিসাবে পরিচিত। এর মধ্যে ৩৮১০.০ একর এলাকাকে সাফারী পার্কের মাস্টার প্ল্যানের আওতাভূক্ত করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক শীর্ষক প্রকল্পটি ২০১০ সালে ৬৩.৯৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে একনেক কর্তৃক অনুমোদিত হয় এবং পার্ক প্রতিষ্ঠা কার্যক্রম শুরু হয় এবং ২০১১ সালের ২ ফেব্র“য়ারী বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর এর আনুষ্ঠানিকভাবে নির্মাণ কার্যক্রম শুরু হয়। প্রকল্পের শুরুতে কোন মাষ্টার প্লান প্রণয়ন করা সম্ভব হয়নি। পরবর্তীতে দেশী-বিদেশী বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় আন্তর্জাতিক মানের সাফারী পার্কে উন্নীত করার লক্ষ্যে একটি মাষ্টার প্লান তৈরী করা হয়। মাষ্টার প্লানে বর্ণিত কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও ভূমি অধিগ্রহনের জটিলতা নিরসনের লক্ষ্যে ৪ অক্টোবর ২০১১ তারিখে ’’বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারী পার্ক, গাজীপুর (১ম সংশোধিত) প্রকল্পটি একনেক কর্তৃক বর্ধিত আকারে ২১৯.৮৯ কোটি টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে অনুমোদিত হয়। পরবর্তীতে অক্টোবর / ২০১৩ মাসে একনেক কর্তৃক ২৬৩.০০ কোটি টাকা ব্যয়ে ” বঙ্গবন্ধু শেখমুজিব সরকারী পার্ক , গাজীপূর (২য় সংশোধন) প্রকল্প পাশ হয় ।

 সাফারী পার্কটি দক্ষিণ এশীয় মডেল বিশেষ করে থাইল্যান্ডের সাফারী ওয়ার্ল্ড এর সাথে সামঞ্জস্য রেখে স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও ইন্দোনেশিয়ার বালি সাফারী পার্কের কতিপয় ধারনা সন্নিবেশিত করা হয়েছে। সাফারী পার্কের চারদিকে নির্মাণ করা হচ্ছে স্থায়ী ঘেরাা এবং উহার মধ্যে দেশী/বিদেশী বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি ও অবাধ বিচরণের সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে যাতে পর্যটকগণ চলমান যানবাহনে অথবা পায়ে হেঁটে ভ্রমণ করে শিক্ষা, গবেষণা ও চিত্তবিনোদনের সুযোগ লাভ করবেন। সাফারী পার্কের ধারনা চিড়িয়াখানা হতে ভিন্নতর। চিড়িয়াখানায় জীবজন্তুসমূহ আবদ্ধ অবস্থায় থাকে এবং দর্শনার্থীগণ মুক্ত অবস্থায় থেকে জীবজন্তু পরিদর্শন করেন। কিন্তু সাফারী পার্কে বন্যপ্রাণীসমূহ উন্মুক্ত অবস্থায় বনজঙ্গলে বিচরণ করবে এবং মানুষ সতর্কতার সহিত চলমান যানবাহনে আবদ্ধ অবস্থায় জীবজন্তুসমূহ পরিদর্শন করবেন।

অবস্থান ও আয়তন
ঢাকা থেকে ৪০ কিলোমিটার উত্তরে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বাঘের বাজার থেকে ৩ কিলোমিটার পশ্চিমে সাফারী পার্কটির অবস্থান। সাফারী পার্কের আয়তন ৩৮১০.০ একর। এর মধ্যে ৫৫০ একর ব্যক্তি মালিকানাধী ভুমি রয়েছে যা অধিগ্রহণ প্রক্রিয়াধীন আছে। বর্তমানে ৩৪০০.০ একর এলাকায় প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। অবশিষ্ট এলাকা পর্যায় ক্রমিকভাবে উন্নয়ন কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে।

ঐতিহাসিক পটভূমি
গাজীপুরের শাল বন ঐতিহাসিকভাবে ভাওয়াল রাজার জমিদারী অংশ হিসেবে খ্যাত ছিল। ১৯৫০ সলের জমিদারী উচ্ছেদ ও প্রজসত্ব আইন জারীর পর শালবনের ব্যবস্থাপনা বন বিভাগের নিকট হস্তান্তর করা হয়। তবে অধিকাংশ চালা জমির শালবন সমৃদ্ধ বনভূমি বিধায় বন বিভাগের নিয়ন্ত্রণে থাকলেও বাইদ জমি ব্যক্তিমালিকানাধীন। শালবন ঢাকার অতি নিকটে হওয়ায় দ্রুত শিল্পায়ন, জবর দখল, গো-চারণ ও ভূমিদস্যুতার কারণে শালবনের জীববৈচিত্র্য দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। শিল্পকারখানা হতে নিঃসরিত বর্জের কারণে জীববৈচিত্র্য মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে।

সাফারী পার্কের মূল উদ্দেশ্য
(১) শাল বনের বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণ ।
(২) বাংলাদেশের বিরল ও বিলুপ্ত প্রায় বন্যপ্রাণীকে নিজ আবাসস্থলে (in-situ) এবং আবাসস্থলে বাহিরে (ex-situ) অবস্থায় সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সাধন ।
(৩) ঢাকা মহানগরীর অতি নিকটে ইকো-ট্যুরিজমের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে পর্যটন শিল্পের বিকাশ, দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা ।
(৪) চিত্তবিনোদন, শিক্ষা ও বৈজ্ঞানিক গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি করা ।
(৫) বন্যপ্রাণীর খাদ্য উপযোগী ফলজ, ফডার, ও মিশ্র প্রজাতির বাগান সৃজন ।
(৬) শালবনের বন্যপ্রাণী যেমন বানর, মায়া হরিণ, বেজী, বনরুই, বাঘদাস, বন বিড়াল, খড়গোশ, শিয়াল, খেকশিয়াল ও অজগরসহ বিপন্ন বন্যপ্রাণীর নিরাপদ আবাসস্থল সৃষ্টি ও সংরক্ষণ করা ।
(৭) বিরল ও বিপন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণী যেমন বাঘ, চিতাবাঘ, সাম্বার হরিণ, মায়া হরিণ, চিত্রা হরিণ, প্যারা হরিণ এবং অন্যান্য তৃণভোজী বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণ ও বংশবৃদ্ধির সুযোগ সৃষ্টি করা ।
(৮) গণ্ডার, এশীয় হাতী, পরিযায়ী পাখী, জলজ পাখী, বনছাগল, সিংহ, শ্লথ বীয়ার, কালো ভাল্লুক, মিঠা পানির কুমির, লোনা পানির কুমির, নীল গাই, জলহস্তী ইত্যাদি বিপন্ন ও বিলুপ্ত বন্যপ্রাণীর প্রাকৃতিক পরিবেশ সংরক্ষণকরন ।
(৯) আহত ও উদ্ধারকৃত বন্যপ্রাণীর চিকিৎসার নিমিত্তে বন্যপ্রাণীর সেবাশ্রম ও হাসপাতাল স্থাপন ।
(১০) সারাদেশে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণে ব্যাপক গণসচেতনতা সৃষ্টি।

পর্যকটগণ যা উপভোগ করবেন
১.   তথ্য ও শিক্ষা কেন্দ্রে ভিডিও ব্রিফিং/প্রামাণ্য চিত্রের মাধ্যমে সাফারী পার্ক সম্পর্কে সাম্যক ধারণা নিতে পারেন।
২.   ন্যাচারেল হিস্ট্রি মিউজিয়ামে বন্যপ্রাণী ও উদ্ভিদ প্রজাতি বৈচিত্র্য সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রী ও গবেষকগণ পরিচিতি লাভ      করতে পারেন।
৩.   প্রটেকটেট মিনিবাসে চড়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে বিচারণরত বাঘ, সিংহ, হাতী, সাম্বার, মায়া হরিণ,চিত্রা হরিণ, বানর, হনুমান, ভল্লুক, গয়াল, কুমির ও বিচিত্র পাখী দেখাতে পাবেন।
৪.   লেকের ধারে দেখতে পাবেন অসংখ্য অতিথি ও জলজ পাখী।
৫.   পর্যবেক্ষণ টাওয়ারে উঠে বনাঞ্চলের নয়নাভিরাম সৌন্দর্য ও বন্যপ্রাণী অবলোকন করতে পারবেন।
৬.   পাখীশালায় দেখতে পাবেন দেশী-বিদেশী অসংখ্য পাখী।
৭.   বেস্টনীতে বিরল প্রজাতির প্যারা হরিণ ও
৮.   রাত্রি যাপনের জন্য রাখছে বিশ্রামাগার।

পর্যটকদের জন্য অনুসরণীয়
১.   পলিথিন ও অপচনশীল পদার্থ যত্র-তত্র না ফেলে ডাস্টবীনে রাখুন।
২.   সিগারেটের প্যাকেট, পরিত্যক্ত কাগজ, নষ্ট ব্যাটারী, লাইটার ও বিস্কুট, চানাচুর প্রভৃতির প্লাস্টিকের মোড়ক যেখানে সেখানে না ফেলে একটি নির্দিষ্ট স্থানে ফেলা।
৩.   বাঘ ও সিংহের বেস্টনীতে চলন্ত গাড়ী হতে না নামা।
৪.   কোমল ও বিশুদ্ধ পানীয় বোতল জঙ্গলে না ফেলা।
৫.   মাইক বাজানো, বাজি বা পটকা ফোটানো, গান-বাজনা ও দলবদ্ধভাবে হৈ-চৈ না করা।
৬.   বিশ্রামাগার ব্যবহার করতে হলে আপনাকে পূর্ব থেকে বুকিং নিতে হবে।
৭.   পূর্বেই টিকেট কাউন্টার হতে টিকেট ক্রয় বাঞ্চনীয়।
৮.   বন্যপ্রাণীকে যেকোন ধরণের খাবার প্রদান থেকে বিরত থাকবেন।
৯.   বাইরের কোন খাবার পার্কের ভিতরে না নেওয়া।

Bangabandhu Sheikh Mujib Safari Park, Gazipur
The largest Safari Park in Asia ‘Bangabandhu Sheikh Mujib Safari Park’ Bangladesh. The Park is in Gazipur district which is just near to Dhaka city.
From Dhaka to park distance nearby 40KM (Kilometres) in Bagher Bazar, The Bagher Bazaar is Dhaka Mymensingh highway after pass Joydobpur (Gazipur) Chowrasta, then go forward along the Mymensingh road and come to Bagher Bazaar then you have to choose the path (road) of west side. You have to use auto Rickshaw or CNG as transports to reach at the park. Bangabandhu Safari Park is three kilometres away from Bagher Bazaar. After getting inside the park, you will see
Tiger,
Lion,
Kangaroo even Dinosaur also(but these are not alive).

All of these animals are statue indeed for welcoming the visitors. The whole park is consists of about 4000 acres of land. Recently  Dof (Department of  Forest) released Tiger, Lion, White Lion, Bear, Maya Deer, Sambar Deer, Zebra, Giraffe, Wild Coast, Camel, Emu etc to attract local and International visitors. In the park, they have set up a lot of things like
Information And Education Centre,
Nature History Museum,
Park Office,
Rest Room, Dormitory,
Wild Life Hospital,
Crocodile Park,
Lizard Park,
Fancy Duck Garden,
Crown Figent Aviary,
Parrot Aviary,
Dhonesh Aviary,
Macaws Land,
Marine Aquarium,
Orchid House,
Butterfly Garden,
Climate House,
Vulture Corner,
Pending Bridge,
Monitoring Tower,
Fountain,
Tiger Observation Restaurant,
Tortoise Breeding Centre,
Eco-Resort,
Food Court,
Elephant Show Gallery,
Bird Show Gallery And
Child Park.

Here is arrangement of bus and zip service for visitors (local & international)
Entrance Time: 9AM to 5PM everyday. Weekend: Tuesday.
Entry Fees: Adult BDT -50.00, Kids BDT-20.00, Foreigner BDT-400.00
Foods: Inside the parks have food arrangement with good restaurant, you can take your food from here (it’s little expensive).
Outside food is not allowed inside the park.
More Info:
* Safari by AC Bus: 100 Tk (The bus will take you into the Lion and Tigers area).
* Living with Bird: 10 Tk
* Living in the Jungle: 10 TK
* Paddle Boat riding: 50 TK
* CNG and Auto available there. You can go there by Taxi or private car also.
* Auto: Fare Tk. 20-30 per person (From Bager bazaar to Park area).
* Private Car parking : Tk 100.00 per car.



Information from- Bangabandhu Sheikh Mujib Safari Park, Gazipur