ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ইতিহাস লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৫ মে, ২০১৬

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল

বাংলাদেশের ৬৪ জেলার নাম ও প্রতিষ্ঠা সাল
v ঢাকা —             ১৭৭২ সাল।
v মুন্সীগঞ্জ —          ১৯৮৪ সাল।
v নরসিংদী –         ১৯৮৪ সাল।
v নারায়ণগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v মানিকগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v ময়মনসিংহ —       ১৭৮৭ সাল।
v গাজীপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v কিশোরগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v জামালপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v শেরপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v নেত্রকোণা —        ১৯৮৪ সাল।
v টাঙ্গাইল —          ১৯৬৯ সাল।
v ফরিদপুর —         ১৮১৫ সাল।
v গোপালগঞ্জ —       ১৯৮৪ সাল।
v শরীয়তপুর –        ১৯৮৪ সাল।
v মাদারীপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v রাজবাড়ি —         ১৯৮৪ সাল।
v চট্টগ্রাম —           ১৬৬৬ সাল।
v কক্সবাজার –        ১৯৮৪ সাল।
v বান্দরবন —         ১৯৮১ সাল।
v রাঙামাটি –          ১৮৬০ সাল।
v রাঙামাটি—           ১৮৬০ সাল।
v খাগড়াছড়ি —        ১৯৮৪ সাল।
v ফেনী –              ১৯৮৪ সাল।
v ব্রাহ্মণবাড়িয়া –       ১৯৮৪ সাল।
v চাঁদপুর —           ১৯৮৪ সাল।
v রাজশাহী –          ১৭৭২ সাল।
v নাটোর –            ১৯৮৪ সাল।
v নওগাঁ –             ১৯৮৪ সাল।
v নওয়াবগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v বগুড়া —            ১৮২১ সাল।
v পাবনা —            ১৮৩২ সাল।
v সিরাজগঞ্জ —        ১৯৮৪ সাল।
v জয়পুরহাট —        ১৯৮৪ সাল।
v রংপুর —            ১৮৭৭ সাল।
v লালমনিরহাট –      ১৯৮৪ সাল।
v কুড়িগ্রাম –           ১৯৮৪ সাল।
v নীলফামারী –        ১৯৮৪ সাল।
v গাইবান্ধা—           ১৯৮৪ সাল।
v পঞ্চগড় —           ১৯৮০ সাল।
v দিনাজপুর—         ১৭৮৬ সাল।
v খুলনা —            ১৮৮২ সাল।
v ঠাকুরগাঁও —        ১৯৮৪ সাল।
v সাতক্ষীরা —         ১৯৮৪ সাল।
v বাগেরহাট —        ১৯৮৪ সাল।
v যশোর —            ১৭৮১ সাল।
v ঝিনাইদহ —         ১৯৮৪ সাল।
v নড়াইল—            ১৯৮৪ সাল।
v মাগুরা —            ১৯৮৪ সাল।
v কুষ্টিয়া—             ১৮৬৩ সাল।
v চুয়াডাঙ্গা —          ১৯৮৪ সাল।
v মেহেরপুর —        ১৯৮৪ সাল।
v বরিশাল –           ১৭৯৭ সাল।
v ঝালকাঠি —         ১৯৮৪ সাল।
v পিরোজপুর –        ১৯৮৪ সাল।
v পটুয়াখালী –         ১৯৮৪ সাল।
v বরগুনা —           ১৯৮৪ সাল।
v ভোলা —            ১৯৮০ সাল।
v সিলেট —            ১৭৭৫ সাল।
v হবিগঞ্জ —           ১৯৮৪ সাল।
v মৌলভীবাজার –      ১৯৮৪ সাল।
v নোয়াখালী –         ১৮২১ সাল।
v লক্ষীপুর —          ১৯৮৪ সাল।
v কুমিল্লা —           ১৭৯০ সাল।
vচাঁদপুর —           ১৯৮৪ সাল।

শুক্রবার, ২০ মে, ২০১৬

বংশী নদীর ইতিহাস | গাজীপুর

বংশী নদী বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে প্রবাহিত একটি গুরুত্বপূর্ণ নদী। এই নদীর মোট দৈর্ঘ্য ১৮৪ কিলোমিটার। উত্তরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের সঙ্গে একীভূত হওয়ার ফলে এই নদী কার্যত পুরাতন ব্রহ্মপুত্রের একটি শাখানদীতে পরিণত হয়েছে। উজানের দিকে এটি কেবল বর্ষাকালে নাব্য থাকে। তবে ঢাকা ও গাজীপুর অংশে নদীটি সারা বছরই নাব্য।
গাজীপুর জেলার পশ্চিম প্রান্ত ঘেঁষে প্রবাহিত বংশী নদী। এ নদীর তীরে অবস্থিত কালিয়াকৈর বাজার ও বন্দর। বংশী নদী যমুনা থেকে উদ্ভুত হয়ে ময়মনসিংহ জেলার পাশ দিয়ে দক্ষিণে প্রবাহিত হয়ে গাজীপুর জেলার পশ্চিম সীমানায় প্রবেশ করে ।
সেখান থেকে কালিয়াকৈরের উপর দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বাজারের নিকট পশ্চিম দিকে বাঁক নিয়ে ঢাকা জেলার ধলেশ্বরী নদীতে মিশে যায় ।
গারগারা এই নদী মধুপুর জঙ্গলের টিলা শ্রেণির ‘দেওয়া’ নামক স্থান থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে দক্ষিণে ও পরে দক্ষিন-পুর্বে এসে বিশাল বিল লবলং-এ এসে পতিত হয় । আবার মাওনার নিকট লবলং থেকে বেরিয়ে পুনরায় ইন্দ্রাকপুরের নিকট লবলং-এ এসে পতিত হয় । শীতকালে নদীটি প্রায় শুকিয়ে যায় । তবে বর্ষাকালে এর আঁকাবাঁকা স্রোতধারা গাজীপুরের শাল অরণ্যের ভিতরে অপরূপ দৃশ্যের জন্ম দেয়।

বংশী নদীর মোট দৈর্ঘ্য ২৩৮ কিলোমিটার। এই নদী চারটি জেলা যথাক্রমে জামালপুর, টাঙ্গাইল, গাজীপুর ও ঢাকা এবং ১০টি উপজেলা যথাক্রমে জামালপুর সদর, মধুপুর, ঘাটাইল, কালিহাতি, বাসাইল, মির্জাপুর, সখিপুর, কালিয়াকৈর, ধামরাই, সাভার এবং ৩২১টি মৌজার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে।

তুরাগ বংশী নদীর শাখা তুরাগ নদী । তুরাগ সর্পিলভাবে কালিয়াকৈর বাজারের নিকট বংশী-ঘাটাখালি মোহনা থেকে উদ্ভুত হয়ে প্রথমে কিছুটা পুর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ঠেঙ্গেরবান্দ, কড্ডা ও টঙ্গী পৌঁছে দুটো শাখায় বিভক্ত হয় । একটি শাখা ঢাকার মিরপুরের দক্ষিণে বুড়িগঙ্গা নদীর সাথে মিলিত হয় । অন্যটি টঙ্গী খাল হিসেবে উত্তরে এসে পুনরায় তুরাগ নদীর সঙ্গে মিলিত হয় । এর দক্ষিণ শাখা তুরাগ নামে টঙ্গী ইজতেমা ময়দানের দক্ষিণ প্রান্ত পর্যন্ত বিস্তৃত ।

এখানে দিক পরিবর্তন করে কহরদিয়া নামে প্রায় দুই কিলোমিটার পুর্ব দিকে প্রবাহিত হয় । পরে তা বালু নামে পুর্বমুখী হয়ে উলুখোলা ও ডেমরার পাশ দিয়ে শীতলক্ষ্যায় গিয়ে পড়ে । ঠেঙ্গেরবান্দের নিকট শালদহ নদী তুরাগের সঙ্গে মিলিত হয় ।

জানা যায়, ১৯২৬ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ঢাকার নবাবদের ‘তুরাগ’ নামক বজরায় বুড়িগঙ্গায় অবস্থান করেন । গোয়ালী গোয়ালী নদী ফুল্বাড়িয়ার উত্তরে বাজাইল শাহাড়ীরচালা থেকে উৎপন্ন হয়ে প্রথমে ছোট খাল হিসেবে ফুলঝুড়ি নদী নামে ফুলবাড়িয়া পর্যন্ত প্রবাহিত হয় ।

সেখান থকে এই খালের ধারা ক্রমশ বড় হয়ে গোয়ালী নামে দক্ষিণে পাগলনাথ, রাওয়াল বিল, গাছবাড়ি বিল, শালদহ বিল, বেড়াচালা বিল ও শ্রীপুর বিলের ভিতর দিয়ে অগ্রসর হয়ে রঘুনাথপুরের দক্ষিণে তুরাগ নদীর সঙ্গে মিলিত হয়।

তথ্য সংগ্রহঃ উইকিপিডিয়া

বৃহস্পতিবার, ১৯ মে, ২০১৬

গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি মিউজিয়াম থাকা আবশ্যক!!

গাজীপুর ডিসি অফিসের পাশে গাজীপুরের প্রত্নসামগ্রী প্রদর্শনের জন্য একটি "মিউজিয়াম" থাকা আবশ্যক। সেই সাথে সরকারী- বেসরকারি বিনিয়োগে গাজীপুরের প্রত্নস্থানগুলি সংস্কার ও সংরক্ষণ করে পিকনিক স্পট, শিক্ষা ও বিনোদন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলা যেতে পারে।

প্রত্নস্থানগুলি হলো... 

  • ভাওয়াল রাজবাড়ীর কিছু অংশ- (এটি আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • শ্রীপুর, মাওনার নিকট ইন্দ্রাকপুর (প্রাচীন রাজধানী)- এটা প্রায় ১১শত বছরের পুরনো।
  • বলধার জমিদার বাড়ী, বাড়ীয়া- (এটা আনু: ২৫০ বছরের পুরনো)।
  • টোক শাহী মসজিদ, কাপাসিয়া- (এটা প্রায় ৫০০ বছরের পুরনো)।
  • পূবাইল জমিদার বাড়ী, পূবাইল- এগুলো অনু:২৫০ বছরের পুরনো)।
  • সেন্ট নিকোলাস চার্চ, কালীগঞ্জ- (অনু: তিনশত বছরের পুরনো)।
  • বলিয়াদী জমিদার বাড়ী -(আড়াইশত বছর)।
  • ভাওয়াল রাজ শ্মশানেশ্বরী- (আড়াইশত বছর),জয়দেবপুর।
  • শৈলাট, শ্রীপুর- (১১ শত বছরের পুরনো)।
  • কাশিমপুর জমিদার বাড়ী, গাজীপুর সদর-(আড়াইশত বছর)।
  • দত্তপাড়া জমিদার বাড়ী, টঙ্গী- (আড়াইশত বছর)।
  • কপালেশ্বর (ধ্বংসপ্রাপ্ত পুরাকীর্তি)-১১শত বছরের পুরনো।
  • রাজা শিশু পালের রাজধানী একডালা দুর্গ, কাপাসিয়া-(১২শত বছরের পুরনো)।
  • মীর জুমলার সেতু, টঙ্গী- (সারে তিনশত বছরের পুরনো)।
  • সাকাশ্বর স্তম্ভ, কালিয়াকৈর- এটা আড়াই হাজার বছরের পুরনো, সম্রাট আশোকের আমলে নির্মিত


এছাড়া কাপাসিয়াতে খ্রিস্টপূর্ব ৫০০ বছররের পুরনো স্থাপনা উদ্ধার করে পর্যটনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। এসব পুরাকীর্তির পাশেই আছে ঐতিহাসিক দীঘি। এগুলো সংস্কার করে অতীতকে উদ্ধার করা হোক এবং গাজীপুর জেলাকে পর্যটন জেলায় রূপান্তরিত করা হোক।

তথ্য সংগ্রহঃ জাকির হোসাঈন

মঙ্গলবার, ১৭ মে, ২০১৬

আমাদের গাজীপুর


  •  বাংলাদেশের প্রথম প্রধান মন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমেদ যিনি গাজীপুর এর সন্তান।
  •  মুক্তিযোদ্ধ প্রথম শুরু হয় আমাদের গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে ১৯ই মার্চ বর্তমান মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজামেল হক এর নেতৃত্বে।
  • গাজীপুরের সিটি কর্পোরেশন সর্ববৃহতৎ সিটি কর্পোরেশন।
  • মুসলমানদের সবচেয়ে বড় দ্বিতীয় জামায়েত ইজতেমা আমাদের গাজীপুরেই। বাংলাদেশের প্রথম এটর্ণী জেনারেল আমাদের গাজীপুরের।
  •  নৌ বাহিনীর প্রধান এবং বিমান বাহিনীর প্রধান ( সাবেক) তাও আমাদের গাজীপুরের।
  •  গাজীপুর থেকে ৮ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত ভাওয়াল জাতীয় উদ্যান, যেটি আয়তনের দিক থেকে সর্ববৃহতৎ।
  • এছাড়াও আছে এশিয়া মহাদেশের মধ্য সর্ববৃহৎ বংঙ্গবন্ধু সাফারি পার্ক যা আমাদের গাজীপুরেই।
  • জনপ্রিয় লেখক নাট্যকার কথা সাহিতি্যক হুমায়ন আহমদ এর নুহাস পল্লী আমাদের গাজীপুরেই অবস্থিত।
  • তাছাড়া নাট্য অভিনেতা তৌকির আহমেদ এবং বিপাসা হায়াৎ এর নক্ষত্র বাড়ি যা ভিলাস বহুল ডাকবাংলো। তাছাড়া অসংখ্য সুটিং স্পটতো আসেই। একমাত্র গাজীপুরেই আছে ৫টি সরকারি পুর্নাঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়। সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয় হল জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইঞ্জিনিয়ারদের জন্য সবচেয় ভাল বিশ্ববিদ্যালয় হলো ডুয়েট আর বিদেশীদের জন্য আছে ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি, তাছাড়া আছে ওপেন ইউনিভার্সিটি, বঙ্গবন্ধু কৃষি  বিশ্ববিদ্যালয়। তাছাড়া প্রাইভেট ভার্সিটিতো আছেই।
  • যেই অস্ত্র দিয়ে আমরা দেশ স্বাধীন করেছি সেই অস্ত্রের কারখানা আমাদের গাজীপুর। টাকায় কিনা হয়! টাকা দিয়ে নাকি বাঘের চোখও পাওয়া যায় আর সেই টাকার কারখানা আমাদের গাজীপুর।
  •  কৃষি আমাদের অর্থনৈতিক চাকা। জনসংখ্যা বাড়ছে কিন্তু আমাদের খাবারের ঘাড়তি নেই কারন কৃষি গবেষণার ইন্সটিটিউট এবং ধান গবেষণা ইন্সটিটিউট বামপার ফলন গবেষণায় নিয়জিত যা গাজীপুর অবস্থিত।
  • বাংলাদেশের তুলা গবেষণা ইন্সটিটিউট গাজীপুরেই।
  • আনছার একাডেমি তাও গাজীপুরে অবস্থিত।
  • কাঁঠাল আমাদের জাতীয় ফল সেই কাঁঠাল এর সমাহার আমাদের গাজীপুর। পোশাকশিল্প আমাদের অহংকার। বাংলাদেশের বেশির ভাগ পোশাক কারখানা আমাদের গাজীপুরে অবস্থিত।
  •  বাংলাদেশে একমাত্র কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র এবং বৃদ্ধাশ্রম গাজীপুরেই।
  • গাজীপুরেই কাশিমপুর কারাগার অবস্থিত।
  •  গাজীপুরে ভাওয়াল রাজবাড়ী যেটি এখন জেলা প্রশাসকের কার্যালয়।
  • অসংখ্য নদীর সমাহারে মোখরিত আমাদের গাজীপুর, যা আমাদের গাজীপুর কে পর্যটন নগরী হিসেবে ভূষিত করেছে।
  • উল্লেখ যোগ্য নদীগুলো- ব্রক্ষ্মপুত্র, শীতলক্ষ্যা, তুরাগ।
  • গাজীপুর জেলা নিরক্ষর মুক্ত, সাক্ষরতা হার ১০০% গাজীপুর সুস্বাদু খাবারের জন্য বিক্ষত।
  • রাজাবাড়ির রসমালাই, সুরমার ঘি, মুরগ পুলাও। শ্রীপুরের কাবাব, কাপাসিয়ার চমচম। টোকের নিরিবিলিতে ৭০ প্রকার ভর্তা ও ৪০ প্রকারের তরকারি পাওয়া যায়, মালাই, এবং ২০-২৫ পদ দিয়ে পান যা মাত্র ৫ টাকা। ঐতিহ্যবাহী সিংগুয়া বাজারের এর সিংগারা যা খেতে খুব সুস্বাদু এবং সস্তা এই যুগেও ১.৫০ টাকা পার পিছ। এছাড়াও তেতুল চা তো আছে প্রতিদিন দুরদুরান্ত থেকে বহু মানুষ সিংগারা খেতে আসে!! কি নাই আমাদের গাজীপুরে ! 
  • লেখক@-- মাহফুজ আহমেদ সোহেল মোবাঃ ০১৭২০২২২২১০ 
  • সার্বিক সহযোগিতায়@-- আনিসুজ্জামান সজীব মোবাঃ ০১৯২০৩০৫৬৯৬ হাবিব সবুজ মোবাঃ ০১৯৩৩৭৯৮০৯৬ এবং মাকসুদ সৌরভ মোবাঃ ০১৭৩৬২৯৯১২০



সোমবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৬

গাজীপুর জেলার ভৌগলিক অবস্থান এবং জনসংখ্যা ও জনবসতির পরিচয় | বাংলাদেশ

জেলা পরিচিতি গাজীপুর

পর্ব নং ০২ – গাজীপুর জেলার ভৌগলিক অবস্থান এবং জনসংখ্যা ও জনবসতির পরিচয়

২.১/ ভৌগোলিক অবস্থান
গাজীপুর বাংলাদেশের মধ্যাঞ্চলে অবস্থিত উচ্চভূমিসমৃদ্ধ জেলা। এখানে একদিকে রয়েছে ছোট ছোট টিলা ও বনভূমি, আবার অন্যদিকে খাল-বিল ও কিছু নিচু জমি বিরাজমান।

গাজীপুর জেলার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্বাংশের উচ্চতা সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ৬মিটার এবং পশ্চিমদিকে কালিয়াকৈরে অবস্থিত টিলার উচ্চতা প্রায় ৩০ মিটার। পশ্চিম থেকে পূর্ব দিক ঢালবিশিষ্ট এবং পশ্চিমে ব্রক্ষ্মপুত্র প্লাবনভূমির দিকে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অবনমিত সোপান দ্বারা ক্ষত-বিক্ষত। গাজীপুর জেলার ভাওয়ালগড় পশ্চিম ৬টি সারিবদ্ধ ও পরস্পর
সমান্তরাল ফল্টস দ্বারা গঠিত।

৯ থেকে ২১ কিলোমিটার লম্বা এই ফল্টসগুলো টাঙ্গাইল জেলা পর্যন্ত বিস্তৃত। ফল্টস-এর ভূ-অবস্থানিক কারণে এ অঞ্চলে মাঝে মাঝে ভূমিকম্পন অনুভূত হয়। উত্তরদিকে শ্রীপুরে হারিয়ে যাওয়া লবলং নদীর উৎসমুখ বরাবর - রয়েছে। টিলা, নিচুভূমি ও বনভূমি মিলিয়েই গাজীপুর জেলার অবস্থান। জেলার উত্তরে বনভূমির মধ্যবর্তী এলাকায় উত্তর-দক্ষিণ বরাবর শিরার ন্যায় একটি উচ্চভূমি বিদ্যমান, যা তুরাগ ও বানার নদীর জল বিভাজিকা হিসেবে চিহ্নিত। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে গাজীপুরের বনভূমি এলাকার গড় উচ্চতা ১৮ মিটার। তবে বনভূমির কিছু এলাকার উচ্চতা ৫০ মিটারের বেশি। এগুলোকে বলা হয় পাহাড়ি এলাকা । 
গাজীপুরের জলবায়ু সমভাবাপন্ন ও নাতিশীতোষ্ণ। বার্ষিক সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ডিগ্রি সে এবং সর্বনিম্ন ১২.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বার্ষিক বৃষ্টিপাত ২৩৭৬ মিলিমিটার। _
উত্তরে ময়মনসিংহ ও কিশোরগঞ্জ জেলা, পূর্বে কিশোরগঞ্জ জেলার অংশবিশেষ ও নরসিংদী জেলা, দক্ষিণে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ এবং পশ্চিমে ঢাকার অংশবিশেষ সেভার) ও টাঙ্গাইল জেলা। গাজীপুর জেলার বিস্তৃতি বাংলাদেশের মোট ভূমির ১.১৮ ভাগ।
২৩ ডিগ্রি ৫৩ ইঞ্চি থেকে ২৪ ডিগ্রি ২৪ ইঞ্চি উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯০ ডিগ্রি ৯ ইঞ্চি থেকে ৯০ ডিগ্রি ৪২ ইঞ্চি পূর্ব দ্রাঘিমা পর্যন্ত।

উপজেলার নাম
আয়তন
নদী এলাকা
বনভূমি
সর্বমোট আয়তন
জেলা আয়তনের হার(%)
গাজীপুর সদর
৩৬৩.৪৮
-
৫৪.৫২
৪১৮
২৪.০০
কালিয়াকৈর
২৩৩.০৬
১.২২
৭৯.৭২
৩১৪
১৮.০৪
কালীগঞ্জ
১৫৬.৫১
২.১৫
০.৩৪
১৫৯

৯.১৩
কাপাসিয়া
৩২৮.৯১
১০.৬৯
১৭.৪০
৩৫৭
২০.৫১
শ্রীপুর
৩৪০.০৪
৩.১৬
১২১.৪৪
৪৬৫
২৬.৭১
টঙ্গী
২৭.০৭
০.৩
-
২৮
১.৬১



উপজেলা অনুযায়ী আয়তন (বর্গ কিলোমিটার)


২.২/ উপজেলাভিত্তিক গাজীপুরের ভৌগোলিক অবস্থান
উপজেলাভিত্তিক গাজীপুরের ভৌগোলিক সীমানা পূর্বে সদর উপজেলার নাম ছিল জয়দেবপুর থানা। ১৯৮৪ সালে জেলা হিসেবে প্রতিষ্ঠা পাওয়ার পর নতুন নামকরণ হয় গাজীপুর সদর উপজেলা। এই উপজেলার উত্তরে শ্রীপুর ও কাপাসিয়া উপজেলা, পশ্চিম কালিয়াকৈর উপজেলা ও ঢাকা (সাভার উপজেলা ও আশুলিয়া থানা), পূর্বে শ্রীপুর ও কালীগঞ্জ উপজেলা, দক্ষিনে ঢাকা জেলার উত্তর সীমানা । জেলা সদর জয়দেবপুর মৌজায় চিলাই নদীর দক্ষিণ তিরে অবস্থিত কালিয়াকৈর উপজেলার উত্তরে শ্রীপুর উপজেলা, পূর্বে গাজীপুর সদর উপজেলা, ঢাকা জেলার সাভার উপজেলা এবং পশ্চিমে টাঙ্গাইল  জেলার পশ্চিম সীমানা।উপজেলা শহর বংশী নদীর তীরে অবস্থিত।
কাপাসিয়া উপজেলার উত্তরে ব্রহ্মপুত্র নদ এবং কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর ও কটিয়াদী উপজেলা, পূর্বে নরসিংদী জেলার পশ্চিম সীমানা(মনোহরদী উপজেলা), দক্ষিণে কালীগঞ্জ উপজেলা এবং পূর্বে শ্রীপুর উপজেলা । কাপাসিয়া উপজেলা শহর শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে অবস্থিত ।
এ উপজেলার উত্তরে ময়মনসিংহ জেলার গফরগাঁও ও ভালুকা উপজেলা, ব্রহ্মপুত্র নদ ও সূতী নদী, পশ্চিমে ভালুকা উপজেলা ও টাঙ্গাইল জেলার পূর্ব সীমানা, পূর্বে কাপাসিয়া উপজেলা এবং দক্ষিণে গাজীপুর সদর, কালিয়াকৈর ও কালীগঞ্জ উপজেলা।
কালীগঞ্জ উপজেলার উত্তরে কাপাসিয়া উপজেলা, পূর্বে শীতলক্ষ্যা নদী, নরসিংদী জেলার পূর্ব সীমানা, দক্ষিণে নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলা ও ঢাকা জেলা এবং পশ্চিমে গাজীপুর সদর উপজেলা ।
গাজীপুর সদর উপজেলার টঙ্গী ও গাজীপুর পৌরসভা এবং গাছা, পূবাইল, কোণাবাড়ি, কাশিমপুর, কাউলতিয়া ,বাসন ইউনিয়নকে নিয়ে গঠিত হয় গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন। এই সিটি কর্পোরেশন মধ্যেই অবস্থিত শিল্পকারখানায় সমৃদ্ধ নতুন নগর –জনপদ ।গাজীপুরের অধিকাংশ পোশাক কারখানা এ অঞ্চলে স্থাপিত । গাজীপুরসদর উপজেলায় রয়েছে কিছু নিম্নভূমি ও সামান্য টেকটিলা, কাপাসিয়ায় রয়েছে পলিসমৃদ্ধ ভূমি, টিলাসমৃদ্ধ শালবন ও কিছু ঝিলবিল, কালীগঞ্জে কিছু সমতল ভূমি, জলাশয় ও বিল, শ্রীপুরে টিলা ও উঁচু ভূমির আধিক্য এবং কালিয়াকৈর উপজেলায় রয়েছে নদী, খাল-বিল, নিচুভূমি ও কিছু টিলা।

জেলা/উপজেলার ভৌগলিক পরিচিতি ও পরিসংখ্যান
আয়াতনঃ ১৭৭০.৫৪ বর্গ কিলোমিটার
নদনদীঃ ১৭.৫৩ বর্গ কিলোমিটার
বনভূমিঃ ২৭৩.৪২ বর্গ কিলোমিটার
উপজেলার পরিসংখ্যাগত তথ্য
উপজেলার নাম
ইউনিয়নের সংখ্যা
মৌজা
গ্রাম
পৌরসভা
ওয়ার্ড
মহল্লা
গাজীপুর সদর
৮
১৮৯
২৪৪
১ সি.ক.

৬১
কালিয়াকৈর
৮
১৮১
২৮৩
১ পৌরসভা


কালীগঞ্জ
৬
৯৩
১০৫



কাপাসিয়া
১১
১৬৬
২৩১



শ্রীপুর
৮
৮১
১৮৬
১ পৌরসভা
৯

সূত্রঃ বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ও সরেজমিন তথ্য সংগ্রহ

২.৩/ জনসংখ্যা ও জনবসতির পরিচয়
মোটঃ জনসংখ্যা ৩৭২৬১১৪ জন ; পুরুষঃ ১৯২৭৭৩৯ জন, মহিলাঃ ১৭৯৮৩৭৫ জন
পুরুষের শতকরা হারঃ ৫১.৭৪%, নারীর শতকরা হারঃ ৪৮.২৬%, শিশুর শতকরা হারঃ৩১.৫৮%, (১-১৮ বছর) জনসংখ্যার ঘনত্বঃ প্রতি বর্গ কিলোমিটার ২১০৪ জন।
গাজীপুরের জনসংখ্যার বড় অংশ মুসলমান। এছাড়া এখানে রয়েছেন হিন্দু, খ্রিষ্টান ও কিছু ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী । পেশাভিত্তিক সম্প্রদয়ের মধ্যে রয়েছে কৃষিজীবী, ব্যবসায়ী, চিকিৎসক, কবিরাজ, শিক্ষক, আইনজীবী, শিল্পকারখানার শ্রমিক ও পরিবহন শ্রমিক ।
গাজীপুরের ক্ষুদ্র নৃতাত্ত্বিক জনগোষ্ঠী এবং আদিবাসীদের মধ্যে আছে কোচ বা রাজবংশী, গারো, মুচি, নাপিত, কলু, বেদে, ওঝা প্রভৃতি সম্প্রদায় । শিক্ষার হারঃ ৫৬.৪০% (সরকারি হিসাব অনুযায়ী ) ।

যারা ১নং পোষ্টটি দেখতে মিস করেছেন
তাদের জন্য নিচে লিংক দেয়া হল