জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জাতীয় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২২ জুন, ২০১৬

গাজীপুরে ৫শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার পৌর কাউন্সিলর!!

গাজীপুরে ৫শ পিস ইয়াবাসহ গ্রেফতার পৌর কাউন্সিলর!!
টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার কাউন্সিলর শহিদুর রহমান শিপন, তার কথিত স্ত্রীসহ তিনজনকে ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে জয়দেবপুর থানা পুলিশ।
বুধবার ভোরে গাজীপুরের বাইমাইল এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন-টাঙ্গাইলের মির্জাপুর থানার বাউয়ারা কুমারজানি এলাকার মোঃ নজরুল ইসলামের ছেলে কাউন্সিলর শহিদুর রহমান শিপন (৪২), তার কথিত স্ত্রী শ্যামলী (২৭) এবং প্রাইভেটকার চালক মিনহাজ উদ্দিন (৪০)।

কোনাবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) রফিক জানান, বুধবার রাত সাড়ে ৩টার দিকে ফাঁড়ির সহকারী উপরিদর্শক (এএসআই) শাহিন ও রফিককে নিয়ে জয়দেবপুর চন্দ্রা মহাসড়কের বাইমাইল এলাকায় দায়িত্ব পালন করছিলেন। এসময় মির্জাপুর পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুর রহমান শিপন তার কথিত স্ত্রী শ্যামলী আক্তার ও চালক মিনহাজ প্রাইভেটকার (ঢাকা মেট্রো-খ-১২-৩০৭০) নিয়ে গাজীপুর থেকে মির্জাপুর আসছিলেন। রাত ৩টার দিকে পুলিশ প্রাইভেটকারটি সিগন্যাল দিয়ে থামান।

এসময় প্রাইভেটকারে থাকা শ্যামলী আক্তারকে স্ত্রী পরিচয় দিলে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ প্রাইভেটকারটি তল্লাশি চালিয়ে ৫শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট উদ্ধার করে এবং কাউন্সিলর শহিদুর রহমান শিপনসহ তাদের আটক করে জয়দেবপুর থানায় নিয়ে যান।

জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার রেজাউল হাসান নতুন সময়কে বলেন, মির্জাপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শহিদুর রহমান শিপনসহ তিনজনকে ৫শ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটসহ গ্রেফতার এবং একটি প্রাইভেটকার আটক করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানা মাদক আইনে মামলা হয়েছে। আদালতের মাধ্যমে গ্রেফতারকৃতদের জেল হাজতে পাঠানো হবে বলে তিনি জানান।
আটক শহিদুর রহমান শিপন নিজেকে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর পৌরসভার ৫নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন।

নিউজ - natunsomoy

সোমবার, ২০ জুন, ২০১৬

গাজীপুরে সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের রেকর্ড রুমের গ্রীল কেটে দলিল জালিয়াতি ও লুট!

গাজীপুরে সাবরেজিষ্ট্রি অফিসের রেকর্ড রুমের গ্রীল কেটে দলিল জালিয়াতি ও লুট করেছে দুর্বৃত্তরা। গাজীপুরের সাব-রেজেষ্ট্রি অফিসের দলিলের ভলিউম কপি রাখার রেকর্ড রুমের গ্রীল ও স্টীলের নেট কেটে দুর্বৃত্তরা গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জালিয়াতি ও সরিয়ে নিয়েছে।
রেকর্ড রুমে কর্মরতদের সহায়তায় দুর্বৃত্তরা পরিকল্পিত ভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে কর্তৃপক্ষ দাবী করেছে। এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে এক কর্মচারীকে চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করেছে কর্তৃপক্ষ। এদিকে স্পর্শকাতর এ রেকর্ড রুমের গ্রীল কাটার ঘটনায় সোমবার জয়দেবপুর থানায় সাধারণ ডায়েরী করা হয়েছে। গাজীপুর সদর সাব রেজেষ্ট্রি অফিসের রেকর্ড কিপার মো. আব্দুর রব বলেন, রবিবার বিকেল ৪টার দিকে গাজীপুর মহানগরের ছায়াবিথী এলাকার সিনা হাসপাতালের পাঁচ তলায় রেকর্ড রুমের নেট, গ্রীল ও স্টীলের নেট কাটা এবং হালকা ভাবে লাগানো অবস্থায় দেখতে পায় রেকর্ড সহকারী আব্দুল মজিদ। খবর পেয়ে গাজীপুর সদর সাব-রেজিষ্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কাপাসিয়া অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার ওয়াসিম কল্লোল সোমবার সকালে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন এবং পরিদর্শন করেন। এঘটনায় জয়দেবপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করা হয়। গাজীপুর সদরের সাব-রেজিষ্ট্রার মো. মুজাহিদুল প্রশিক্ষণে অংশ নেয়ায় অন্য কর্মকর্তা কাপাসিয়া অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার ওয়াসিম কল্লোল রবিবার ও সোমবার অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। গাজীপুর সদর সাব-রেজিষ্ট্রারের অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা কাপাসিয়া অফিসের সাব-রেজিষ্ট্রার ওয়াসিম কল্লোল জানান, পাঁচ তলার ওই রেকর্ড রুমটি জেলা রেজিষ্ট্রি অফিসের ভিতরে অবস্থিত। দলিলের এ রেকর্ডরুমে অনেক মূল্যবান রেকর্ড রয়েছে। এটি জনগণের সম্পত্তি। ওই রেকর্ডরুমে যেতে হলে কলাপসিবল গেইটের তালা খুলে যেতে হয়। আর এ গেইটের চাবি নাইট গার্ডের কাছে গচ্ছিত থাকে। কিন্তু ওই ঘটনায় রেকর্ডরুমের গ্রীল ও স্টীলের নেট দুর্বৃত্তরা কেটে ফেললেও কলাপসিবল গেইটের তালা অক্ষত রয়েছে। দলিলের রেকর্ডরুম জনগণের সম্পত্তি, এখানে অনেক মূল্যবান রেকর্ড রয়েছে। বিষয়টি অত্যন্ত স্পর্শকাতর। রেকর্ডরুমের দায়িত্ব প্রাপ্তদের ছাড়া এখানে বাইরের কেউ এসে কিছুই বুঝবে না। ওই রুমে প্রায় দুই লক্ষাধিক ভলিউম রয়েছে। দুর্বৃত্তরা সেখান থেকে কোন দলিলের ভলিউম চুরি অথবা জালিয়াতি করেছে কি-না তা পূর্ণাঙ্গ তদন্ত ছাড়া প্রাথমিকভাবে বলা সম্ভব নয়। রেকর্ড রুমের কর্মরতদের সহায়তায় কোন দুর্বৃত্তচক্র পরিকল্পিত ভাবে এই ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে এ ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে নাইটগার্ড কাওসারকে চাকুরী থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

নিউজ - গাজীপুর অনলাইন

বুধবার, ১৫ জুন, ২০১৬

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার দায়ে ৬ আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল।!

আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার দায়ে ৬ আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল। খালাস পাওয়া আসামিদের বিষয়ে আপিল করবে পরিবার
ঢাকা, ১৫ জুন ২০১৬ এক যুগ আগে মুক্তিযোদ্ধা, শিক্ষক, শ্রমিকনেতা গাজীপুর-২ আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার দায়ে ৬ আসামির মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে রায় দিয়েছে আজ হাইকোর্ট।
মামলায় আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিলের উপর শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়। গত বুধবার ৮ জুন বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চ উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আজ রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছিলো। আজ জনাকীর্ণ আদালতে চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।
রায়ের শুরুতে কিছু অবজারভেশন দেয় বেঞ্চের সিনিয়র বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। এরপর রায়ের অপারেটিভ অংশ পড়ে শুনান অপর বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ। এর মধ্য দিয়ে এক যুগ আগে ঘটে যাওয়া নৃংশস এই হত্যাকান্ডের বিচার হাইকোর্টে শেষ হলো।
রায়ে আসামীদের মধ্যে ৬ জনের মৃত্যুদন্ড বহাল, ৮ জনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও ১১ জন খালাস পেয়েছে। এছাড়া দুজন বিচার চলাকালে মারা যাওয়ায় তাদের আপিল নিস্পত্তি করে দেয়া হয়েছে। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্ত অপর একজন পলাতক আসামির আপিল না থাকায় তার ব্যাপারে আদালত কোনো রায় দেয়নি।
রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যাকান্ড নি:সন্দেহে একটি জঘন্যতম ঘটনা। এ হত্যাকান্ডে রাজনৈতিক দুর্বৃত্তয়ানে কোন পর্যায়ে পৌঁছেছে তা উপলদ্ধি করা যায়। এ ঘটনাটি একটি ব্যাপক হত্যাযজ্ঞ। আহসান উল্লাহ মাস্টার বেচেঁ থাকলে জনগণের কল্যাণে আরো অবদান রাখতে পারতেন। দন্ডিতরা তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে জাতিকে সেই সুযোগ থেকে বঞ্চিত করেছেন। তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে একটি আদর্শকে হত্যা করা হয়েছে। তার মতো আদর্শবান নেতার এখন বড়ই অভাব ।
নিম্ন আদালতে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত ২২ আসামির মধ্যে হাইকোর্টে মৃত্যুদন্ড থাকা ছয় আসামি হলেন- নুরুল ইসলাম সরকার, নুরুল ইসলাম দিপু, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, শহীদুল ইসলাম শিপু, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ এবং সোহাগ ওরফে সরু।
মৃত্যুদন্ড থেকে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন, মোহাম্মদ আলী, আনোয়ার হোসেন আনু, জাহাঙ্গীর ওরফে ছোট জাহাঙ্গীর (পিতা আবুল কাশেম), রতন মিয়া ওরফে বড় রতন, আবু সালাম ওরফে সালাম ও সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, মশিউর রহমান মশু। যাবজ্জীবন দন্ডপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছরের সশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।
মৃত্যুদন্ড থেকে খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- আমির হোসেন, বড় জাহাঙ্গীর (পিতা নূর হোসেন), ফয়সাল, লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, খোকন ও দুলাল মিয়া। বিচারকি আদালতে দেয়া আসামি নুরুল আমিনের যাবজ্জীবন হাইকোর্টেও বহাল রয়েছে। এছাড়া বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবন পাওয়া আসামি হাইকোর্টের রায়ে খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- রাকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু সরকার, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর (পিতা মেহের আলী) ও মনির।
বিচারিক আদালতে যাবজ্জীবনপ্রাপ্ত আসামি ওহিদুল ইসলাম টিপু (পলাতক) হাইকোর্টে আপিল করেননি। ফলে তার বিষয়ে কোন আদেশ দেয়নি আদালত। আইনজীবীরা জানান এ আসামির দন্ড বহাল রয়েছে।
সাজা ও খালাসপ্রাপ্ত আসামিদের মধ্যে ১৭ জন কারাগারে, বাকি ৯ জন পলাতক রয়েছেন। অন্য কোনো মামলা না থাকলে খালাসপ্রাপ্ত যারা কারাগারে আছেন, তাদেরকে মুক্তি দিতে বলেছে আদালত।
গত ১৪ জানুয়ারি থেকে আসামিদের ডেথ রেফারেন্স, আপিল আবেদনের উপর হাইকোর্টে শুনানি শুরু হয়ে গত বুধবার ৮জুন তা শেষ হয়। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন এটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম, ডেপুটি এটর্নি জেনারেল রোনা নাহরীন ও সহকারী এটর্নি জেনারেল মনজু নাজনিন। রাষ্ট্রপক্ষকে সহায়তা করেন সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিষ্টার আমীর-উল ইসলাম, আবদুল বাসেত মজুমদার, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সৈয়দ সাজোয়ার হোসন। আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন, টি এইচ খান, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, এজে মোহাম্মদ অলী, এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকনসহ কয়েকজন আইনজীবী।
বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে আহসান উল্লাহ মাস্টারকে ২০০৪ সালের ৭ মে গাজীপুরের টঙ্গীর নোয়াগাঁও এম এ মজিদ মিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এক জনসভা চলাকালে একদল সন্ত্রসী নির্মম ও বর্বরোচিতভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করে। এ ঘটনায় তার সঙ্গে আরো খুন হন ওমর ফারুক রতন নামে আরেকজন। এ ঘটনার পরদিন আহসান উল্লাহ মাস্টারের ভাই মতিউর রহমান বাদী হয়ে টঙ্গী থানায় ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরও ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। এ মামলায় তদন্ত শেষে ২০০৪ সালের ১০ জুলাই ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। একই বছরের ২৮ অক্টোবর ৩০ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন করা হয়। বিচারিক আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ৩৪ জন এবং আসামিপক্ষে দুজন সাক্ষ্য দেয়।
মামলায় উভয়পক্ষে সাক্ষ্য ও যুক্তিতর্ক শেষে ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক শাহেদ নূর উদ্দিন ২০০৫ সালের ১৬ এপ্রিল রায় ঘোষণা করেন। রায়ে ৩০ আসামির মধ্যে গাজীপুর জেলার বিএনপি নেতা ও ওই সময় জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় শিল্প বিষয়ক সম্পাদক নুরুল ইসলাম সরকারসহ ২২ আসামিকে মৃত্যুদন্ড এবং ছয় আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দেয়া হয়। এছাড়া খালাস পায় অন্য দুই আসামি।
নিম্ন আদালতের রায়ের পর ২২ আসামিদের ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদন্ড অনুমোদন) শুনানির জন্য ২০০৫ সালে হাইকোর্টে আসে। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত ২২ আসামির মধ্যে ১৪ জন রায়ের বিরুদ্ধে আবেদন করেন। মামলার তথ্য অনুসারে, আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যার পরিকল্পনার দায়ে বিচারিক আদালতের রায়ে বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম সরকারের মৃত্যুদন্ড হয়। মৃত্যুদন্ড প্রাপ্ত অন্য আরো ২১ আসামি হলেন- নুরুল ইসলাম দিপু, মোহাম্মদ আলী, মাহবুবুর রহমান মাহবুব, আমির হোসেন, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, জাহাঙ্গীর ওরফে বড় জাহাঙ্গীর, শহীদুল ইসলাম শিপু, হাফিজ ওরফে কানা হাফিজ, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, ফয়সাল, সোহাগ ওরফে সরু, লোকমান হোসেন ওরফে বুলু, আল আমিন, রতন মিয়া ওরফে বড় মিয়া, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির,জাহাঙ্গীর, রতন ওরফে ছোট রতন, আবু সালাম ওরফে সালাম, মশিউর রহমান ওরফে মনু, খোকন, দুলাল মিয়া।
যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত ছয় আসামি হলেন-রাকিব উদ্দিন সরকার ওরফে পাপ্পু সরকার, আইয়ুব আলী, জাহাঙ্গীর, নুরুল আমিন, মনির ও অহিদুল ইসলাম টিপু (পলাতক)। রায়ে খালাস পায় কবির হোসেন ও আবু হায়দার ওরফে মিরপুরইয়া বাবু।
মামলায় সংশ্লিষ্ট আইনজীবী সূত্র জানায়, মৃত্যুদন্ড পাওয়া ২২ আসামির মধ্যে আট আসামি পলাতক ও দুজন মৃত্যুবরণ করেছেন। পলাতক আটজন হলেন-নুরুল ইসলাম দিপু, সৈয়দ আহমেদ হোসেন মজনু, আনোয়ার হোসেন ওরফে আনু, ফয়সাল, রনি মিয়া ওরফে রনি ফকির, মরকুনের জাহাঙ্গীর, মশিউর রহমান ওরফে মশু ও খোকন। এছাড়া যাবজ্জীবন কারাদন্ড পাওয়া ছয় আসামির মধ্যে এক আসামি অহিদুল ইসলাম টিপুও পলাতক। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত দুই আসামি ছোট রতন ও আল আমিন মৃত্যুবরণ করেন।
আজ হাইকোর্টে রায় ঘোষণা কালে আহসান উল্লাহ মাস্টারের ছেলে সংসদ সদস্য জাহিদ আহসান রাসেলসহ আদালত অঙ্গণে গাজীপুর এলাকার কয়েক হাজার নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।এদিকে খালাস পাওয়া আসামিদের বিষয়ে আপিল করবেন বলে জানান জাহিদ আহসান রাসেল।
স্থানীয়ভাবে শ্রমজীবী মানুষের কাছে জনপ্রিয় এ নেতা যুবক বয়সেই ১৯৮৩ ও ১৯৮৮ সালে দু’বার তার ইউনিয়ন পুবাইল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। পরে ১৯৯০ সালে গাজীপুর সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যানও নির্বাচিত হন তিনি। এরপর আহসান উল্লাহ মাস্টার ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে গাজীপুর২ আসন থেকে আওয়ামীলীগের মনোনয়নে প্রতিদ্বন্ধিতা করে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি আওয়ামী লীগের জাতীয় পরিষদের সদস্য, জাতীয় শ্রমিক লীগের কার্যকরী সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকও ছিলেন।

সোমবার, ১৩ জুন, ২০১৬

গাজীপুরের ৪টি উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল!!

গাজীপুরের ৪ উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল!!
সাংগঠনিক গতি বৃদ্ধির জন্য গাজীপুর জেলার ৪টি উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটি বাতিল করেছে জেলা ছাত্রলীগ। গতকাল ১৩/০৬/২০১৬ইং সোমবার রাতে গাজীপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি দেলোয়ার হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল আলম রবিন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে ওই তথ্য জানানো হয়।
উপজেলা গুলি হল, গাজীপুর সদর, কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও কালিগঞ্জ।

মূল পোষ্ট - Adhar Sarkar

শনিবার, ১১ জুন, ২০১৬

গাজীপুরে বাড়ছে শিশুশ্রম, প্রতিরোধে নেই কোন সরকারি উদ্যোগ!!

গাজীপুরে বাড়ছে শিশুশ্রম, প্রতিরোধে নেই কোন সরকারি উদ্যোগ!!
গাজীপুরে উদ্বেগ জনকভাবে বাড়ছে নিষিদ্ধ ঝুঁকিপূর্ণ শিশুশ্রম। ২০১৬ সালে শিশুশ্রম নিরসনে সরকারের অঙ্গিকার থাকলেও গাজীপুর জেলায় এ কাজের কোনো অগ্রগতি বা তৎপরতা নেই।
সরকারী ভাবে নেই কোনো সচেতনতা মূলক কার্যক্রম। বস্তিবাসির শিশু সন্তান কিংবা নিন্ম আয়ের পরিবারের বাবা-মা’র দারিদ্রতার পাশাপাশি অসচেতনতায় শিশুরাই ঝুঁকিপূর্ণ কাজে জড়িয়ে পড়ছে। গাজীপুরের বিভিন্ন সড়কে যাত্রী পরিবহন করে আসছে সহাস্রাধিক অবৈধ লেগুনা। গাজীপুর জেলায় প্রায় ৮শতাধিক শিশু লেগুনায় চালকের সহকারী(হেলপার)।
গাজীপুর দর্পণ পত্রিকার অনুসন্ধ্যানে দেখা গেছে, লেগুনায় নিষিদ্ধ ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে প্রায় ৮শতাধিক শিশু শ্রমিক। ১০ জুন শুক্রবার এ প্রতিবেদক জয়দেবপুর চৌরাস্তায় বিভিন্ন লেগুনা স্ট্যান্ডে অবস্থান কালে এমন চিত্রই দেখা যায়। অনেক লেগুনার চালকরা কিশোর আর হেলপার শিশু। গাজীপুরে পরিবহনের প্রাণ কেন্দ্র জয়দেবপুর চৌরাস্তা থেকে বিভিন্ন সড়কে চলাচল করে এসব লেগুনা। অহরহই চোঁখে পড়ছে, যেসব শিশু স্কুলে যাওয়ার কথা তারা ঝুঁকিপূর্ণ বিভিন্ন কাজ করছে।

গাজীপুর জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো: নাসির উদ্দীন জানান, শিশুশ্রম প্রতিরোধে সরকারি পর্যায় থেকে কোনো নির্দেশনা আমাদের কাছে আসেনি। জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয় শিশু শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করে। বেসরকারি সংগঠন(এনজিও) বিল্ডিং রেজিলিয়েন্স অব দ্য আরবান পুওর (বিআরইউপি) প্রকল্প গাজীপুরে স্বল্প পরিসরে শিশুশ্রম প্রতিরোধ বিষয় নিয়ে কাজ করছে। এ প্রকল্পের ম্যানেজার মো: কামরুল হাসান গাজীপুর দর্পণকে জানান, গাজীপুর মহানগরের টঙ্গী ও কোনাবাড়ি বাইমাইল এলাকায় নির্দিষ্ট কিছু কমিউনিটি নিয়ে কাজ করছি। শিশুশ্রম প্রতিরোধ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে দেখা গেছে দারিদ্রতা ও পরিবারের অসচেতনতায় প্রায় অর্ধেক শিশুই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ করছে। এসকল শিশুর স্বাভাবিক বিকাশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। কিছুদিন পর তারা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে সমাজে অপরাধ করছে। একজন লেগুনা শ্রমিক নেতা জানান, গাজীপুর জেলার বিভিন্ন সড়কে প্রায় ১ হাজারের বেশী লেগুনা চলে। লেগুনা চালকের সহকারী( হেলপার) শিশু এর কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, শিশুদেরকে কম টাকায় রাখা যায় এবং তারা ইনকাম চুরি করেনা। তাই শতকরা ৮০ভাগ হেলপারই শিশু।

নিউজ
মঞ্জুর হোসেন মিলন - gazipurdarpon.com

শুক্রবার, ১০ জুন, ২০১৬

গাজীপুরের হচ্ছে ছ’টি উড়াল সড়ক ও ৮ লেনের টঙ্গী সেতু!!

গাজীপুরের হচ্ছে ছ’টি উড়াল সড়ক ও ৮ লেনের টঙ্গী সেতু!!
বদলে যাচ্ছে গাজীপুরের চিত্র : হচ্ছে ছ’টি উড়াল সড়ক ও ৮ লেনের টঙ্গী সেতু।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘গ্রেটার ঢাকা সাসটেইনেবল আরবান ট্রান্সপোর্ট প্রজেক্টের (বিআরটি, গাজীপুর-এয়ারপোর্ট) আওতায় ছটি উড়াল সড়ক, ৮ লেনের টঙ্গী সেতুসহ ২০ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণে ব্যয় হবে ২০ হাজার ৩৯ কোটি টাকা। প্রকল্প শেষ হলে প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী গাজীপুর থেকে বিমানবন্দর এলাকায় যাতায়াত করতে পারবে।’
সোমবার দুপুরে গাজীপুর মহানগরীর বিআরটি বাস ডিপো নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এখন এ সড়কে দুটি বাস একসাথে যুক্ত করে আর্টিকুলেট বাস চলছে, প্রকল্প শেষ হলে এ সড়কে তিনটি বাস একসাথে যুক্ত করে চলাচল করবে। তখন প্রতি ঘণ্টায় ২৫ হাজার যাত্রী গাজীপুর থেকে এয়ারপোর্ট যাতায়াত করতে পারবে।’

সড়ক ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ সরকার ছাড়াও এ প্রকল্পে এশিয়া উন্নয়ন ব্যাংক, ফরাসি উন্নয়ন সংস্থা গ্লোবাল এনভায়রনমেন্টাল ফ্যাসিলিটি অর্থায়ন করছে।

মন্ত্রী সাংবাদিকদের আরো জানান, এ প্রকল্পে ১৬ কিলোমিটার সমতলের বিআরটি লেন, সাড়ে চার কিলোমিটার এলিভেটেড বিআরটি লেন, ৫৬ কিলোমিটার পৌর অবকাঠামো নির্মাণ ও বিআরটি বাস ডিপো নির্মাণ করা হবে। পুরো প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে।

এ সময় সড়ক বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইকরাম হোসেন, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী সবুজ উদ্দিন খান, গাজীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম আলম, ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিউজ - independentnews24.com

রবিবার, ৫ জুন, ২০১৬

আসুন জেনে নেই 'বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থার' মূল দায়িত্বে কারা!!

১. প্রাথমিক শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) শ্যামল কান্তি ঘোষ।
২. পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) সচিব বজ্র গোপাল ভৌমিক।
৩. কারিগরি শিক্ষা অধিপ্তরের মহাপরিচালক ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনাব অশোক কুমার বিশ্বাস।
৪. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) যুগ্ম পরিচালক রতন কুমার রায়।
৫. সৃজনশীল পদ্ধতি বাস্তবায়নকারী মাধ্যমিক শিক্ষা খাত উন্নয়ন কর্মসূচির (সেসিপ) বিশেষজ্ঞ ড. উত্তম কুমার দাশ।
৬. ঢাকা বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক অদ্বৈত কুমার রায়।
৭. চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডের সচিব ড. পীযুষ কান্তি দন্ত।
৮. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সুবোধ চন্দ্র ঢালী।
৯. বাংলাদেশের পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের চেয়্যারম্যান নারায়ন চন্দ্র পাল।
১০. ঢাকা বোর্ডের মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক শ্রীকান্ত কুমার চন্দ্র।
১১. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব অজিত কুমার ঘোষ।
১২. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব পতিত পাবন দেবনাথ।
১৩. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব অসীম কুমার কর্মকার।
১৪. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-প্রধান স্বপন কুমার ঘোষ।
১৫. শিক্ষামন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্রী বনমালী ভৌমিক।
১৬. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. অরুণা বিশ্বাস।
১৭. শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকার।

আইন বিভাগ-
১. প্রলয় কুমার এআইজি , প্লানিং অ্যান্ড রিসার্স
২. বিনয় কৃঞ্চ বালা (সিআইডি) ডিআইজি ঢাকা
৩. বিপ্লব কুমার , কমিশনার গাজীপুর
৪. নিবাস মাঝি , সিলেট ডিএমপি পুলিশ কমিশনার
৫. সত্যকি কবিরাজ এ সি, ডিএমপি
৬. বিজয় বসাক ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার
৭. শ্যামল কুমার পুলিশ সুপার বরগুনা
৮. শ্যামল কুমার মুখার্জী এ এস পি , ঢাকা
৯. দেবদাস ভট্টাচার্য দিনাজপুরের পুলিশ সুপার
১০. পংকজ কুমার দে ,RAB-9 এ এস পি
১১. কৃঞ্চপদ রায় ডিবি কমিশনার , ঢাকা
১২. মিলি বিশ্বাস ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার
১৩. সন্জয় কুমার কুন্ডু , এ সি , কুড়িগ্রাম
১৪. টুটুল চক্রবর্তী কুমিল্লা জেলার এস পি
১৫. শ্যামল কুমার নাথ বরগুনার পুলিশ সুপার
১৬. দেবদাস ভট্টাচার্য দিনাজপুরের পুলিশ সুপার
১৭. উত্তম প্রসাদ সোনারগাঁও থানা সার্কেল এ এস পি
১৮. শৈবাল কান্তি চৌধুরী কমিশনার বরিশাল
১৯. তাপস রঞ্জন ঘোষ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার এ এস পি
২০. রঞ্জন সামন্ত মাগুরার সহকারি পুলিশ সুপার
২১. জয়দেব কুমার ঘোষ এসপি , হবিগন্জ
২২. প্রদীপ কুমার পাঁচলাইশ থানার ওসি
২৩. স্বপন কান্তি বড়ুয়া ওসি কুলাউড়া GRP থানা
২৪. অশিত কুমার ঘোষ ওসি মতিহার থানা
২৫. সুকুমার বিশ্বাস ওসি খুলনা সদর থানা
২৬. তপন চন্দ্র সাহা ওয়ারী থানার ওসি
২৭. অবণী শঙ্কর কর যাত্রাবাড়ি থানার ওসি (তদন্ত)
২৮. এস আই প্রদীপ কুমার যাত্রাবাড়ী থানা
২৯. এস আই নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ,ডিবি)
৩০. গনেশ গোপাল বিশ্বাস শেরে বাংলানগর থানার ওসি
৩১. নরেশ কর্মকার ওসি বাউফল থানা
৩২. অরূপ তরফদার সোনারগাঁও থানার ওসি (তদন্ত)
৩৩. নিহার রন্জন কমলগঞ্জ থানার ওসি
৩৪. সুকুমার বিশ্বাস খুলনা সদর থানার ওসি
৩৫. এস আই নিবারণ চন্দ্র বর্মণ ডিবি
৩৬. এস আই সজল কুমার কানু মুরাদনগর থানা
৩৭. এস আই অরূপ কুমার যাত্রাবাড়ি থানা
৩৮. এ এস আই বিকাশ কুমার ঘোষ সবুজবাগ থানা
৩৯. এস আই (তদন্ত) কৃপা সিন্ধু ভাটারা থানা
৪০. এ এস আই প্রকাশ চন্দ্র বেনাপোল পোর্ট থানা
৪১. এ এসআই অসীম কুমার চন্দ্র মহেশপুর থানা
৪২. এ এসআই বিকাশ কুমার ঘোষ সবুজবাগ থানা
৪৩. সোনারগাঁও থানার এসআই পল্টু ঘোষ
৪৪. সুদর্শন কুমার রায় ওসি সিলেট দক্ষিণ সুরমা থানা

এখন ভাবুন আপনি কি বলবেন?
উনারা কি বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা সুষ্ঠু করে গড়ার কারিগর না "বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মূল কারিগর"

--এই নাম গুলো বিভিন্ন ঘটনায় পত্র-পত্রিকায় উঠে এসেছে , বাকীরা আঁচলের নীচে ! হয়ত খোঁজলে পাওয়া যাবে। এখন হয়ত উত্তর পেয়েছেন কেন শিক্ষা ব্যবস্থায় ইসলামকে ছোট করে হিন্দু ধর্মকে বড় বানানো হইছে এবং আ'লেম, মুফতি ও হুজুর-দাঁড়িওয়ালা দেখলে পুলিশ কেন এতো হিংস্র হয়।

মূল পোষ্ট - Soharab Hossain